ঝিনাইগাতীতে খুঁড়িয়ে চলছে সাব-বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৬, ২৩:২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় খুঁড়িয়ে চলছে সাব-বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিমার্ণ কাজ। ২ বছর আগে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু আজো তা সম্পন্ন হয়নি। ফলে এ উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, উক্ত এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভোগান্তি লাঘবে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। দেশ স্বাধীনের পর বিভিন্ন সরকারের সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় আশ্বাস ও পাওয়া গেছে। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।
গ্রামবাসীরা জানায় ,অতীতে নিবার্চনের সময় বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাদের কাছ থেকে শুধু ভোট নিয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পর বিদ্যুৎ তো দূরের কথা  কেউ আর আমাদের খোঁজ-খবর নেয়নি ।
শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এলে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের দাবির পরিপেক্ষিতে সংসদ সদস্য প্রকেীশলী একে এম ফজলুল হক এ কেন্দ্রটি নির্মাণ কাজ হাতে নেন। জাইকার ২৭ কোটি  টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এ কেন্দ্রটি নির্মিত হলে গ্রাহকরা লোডশেডিং এর আওতা মুক্ত হবে।
কিন্তু নির্মাণ কাজ শুরু হলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের চরম অবহেলা ও গাফিলতির কারণে প্রায় ২ বছরে নির্মাণ কাজটি শেষ  হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে , ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান একদিন কাজ করলে ২মাস বন্ধ রাখেন। ফলে বিদ্যুতের লোডশেডিং মুক্ত হতে পারছেন না গ্রাহকরা। চলতি ইরি বোরো মৌসুমে বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারণে কৃষকরা তাদের জমিতে সঠিক সময়ে সেচ দিতে না পেরে চরম র্দুভোগে পড়েন। বর্তমানে এখানে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজে গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি তাদের  চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় আবাসিক প্রকৌশলী মোঃ রুকুনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এব্যাপারে সংসদ সদস্য একে এম ফজলুল হকের  সঙ্গে কথা হলে তিনি জরুরী ভিত্তিতে কাজটি সমপূর্ণ করতে ঠিকাদারকে তাগিদ দেবেন বলে জানান। তিনি আগামী ২ বছরের মধ্যে তার নিবার্চনী এলাকার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন ।