কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরের ফারাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে পুলিশ আটক করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত স্বপন পালিয়ে গেছে। আটককৃত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম (৪০)। মঙ্গলবার সন্ধ্যার সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মূল ধর্ষক ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ মুন্সিপাড়ার রুস্তম আলীর ছেলে স্বপন (২৫) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
কুষ্টিয়া ভেড়ামারা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার সময় ওই ছাত্রীকে একই এলাকার ফারাকপুর গ্রামের প্রতিবেশি আবুল কালাম তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সে সময় তার বাড়িতে পূর্ব থেকেই অবস্থান করছিল স্বপন।
আরো জানা যায়, এই বাড়িতেই শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণকালে গুরুতর আহত ছাত্রীটির চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে পড়ায় পালিয়ে যায় ধর্ষক স্বপন। সেখানে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধর্ষণে সহায়তা করায় আবুল কালামকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ আহত ছাত্রীকে উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল জব্বার ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পাওয়ায় ডাক্তারী পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসা জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার রাতে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বুলবুলি খাতুন দুইজনকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। মূল ধর্ষক পলাতক স্বপনকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিসক ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, আহত শিশুটির ক্ষতের মাত্রা খুবই গুরুতর, এখন অপারেশন থিয়েটারে প্রয়োজনীয় শল্য চিকিৎসা করছেন চিকিৎসকরা, একই সঙ্গে ধর্ষণ জনিত ডাক্তারী পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হবে সেখানে।
