বাংলা নববর্ষে রাজধানীর রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশ পথ বিকেল চারটায় বন্ধ করে দেয়া হবে। এই দুই স্থানে বিকেল পাঁচটার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করে সবাইকে বের হয়ে যেতে হবে।
বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। অনির্ধারিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির এই কমিশনার বলেন, নববর্ষ উদযাপনে কোনো হুমকি নেই। তবে বিগত দিনের ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে এবং যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য নানান এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পয়লা বৈশাখের দুই দিন আগে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তার ব্যবস্থার কথা গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
মনিরুল ইসলাম বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠান হবে। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। মুখোশ নিয়ে আসলেও কেউ যেন তা না পরে সে ব্যাপারে কথা হয়েছে। মুখোশ হাতে থাকবে। শব্দদূষণ করে এবং মানুষের বিরক্তির উদ্রেক করায় ভুভুজেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজধানীবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন মনিরুল ইসলাম। তিনি নগরবাসীকে সুষ্ঠুভাবে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান পালনের আহ্বান জানান। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উদযাপন নিয়ে কোনো ধরনের হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
মনিরুল ইসলাম বলেন, বর্ষবরণ উদযাপনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো মাথায় রেখে সবার নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। ওইদিন বিকেল চারটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। এছাড়া পাঁচটার মধ্যে সব ধরনের অনুষ্ঠান-সমাবেশ শেষ করতে বলা হয়েছে।
মঙ্গল শোভাযাত্রায় মুখোশ পরা নিয়ে বিভ্রান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রায় মুখোশ পরে বাইরের কেউ যাতে অংশ নিতে না পারে সেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ভুভুজেলা বাঁশি মানুষকে উত্ত্যক্ত করায় এটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। বলেন, ভুভুজেলা অনেকের জন্য বিরক্তির কারণ। অধিকাংশ মানুষই এটি নিষিদ্ধ করার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছিলেন।
