নারীদের ডিজিটাল দক্ষতার উপর আলোচনা সভা করলো ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ। ‘ডিজিটাল দক্ষতা কি নারীদের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারবে’? শীর্ষক বিষয়ে একটি প্যানেল ব্রিটিশ কাউন্সিলের সম্প্রতি রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এ শীর্ষক একটি প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়।
উন্নয়নশীল দেশে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারের ভিত্তিতে নারী-পুরুষের বৈষম্য এবং কিভাবে নারী-পুরুষ উভয়েই ডিজিটাল দক্ষতার মাধ্যমে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ডিসকাশন প্যানেলে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিন আহমেদ চৌধুরী, ইউএসএইড বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট মাহমুদা রহমান খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিঙ্গ, মিডিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ড. গীতি আরা নাসরিন। আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব ইংলিশ গেনর ইভানস।
২০০৯ সালের একটি হিসাব অনুযায়ী, অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত দেশসমুহে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলে দেশটির জিডিপি ১.৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশে বর্তমানে ওয়েবে সুযোগ থাকার ভিত্তিতে নারী-পুরুষের অনুপাত ১:৬। আর মোবাইল ফোন মালিকানার ভিত্তিতে নারী-পুরুষের অনুপাত ১:২।
২০১৩ সালে প্রকাশিত ‘উইমেন অ্যান্ড ওয়েব’ শীর্ষক ইন্টেলের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় উন্নয়নশীল বিশ্বজুড়ে পুরুষের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম নারী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। যদি এই নারীদের অনলাইনে নিয়ে আসা যায় তাহলে তা বাংলাদেশসহ ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের জিডিপিতে আনুমানিক ১৩ থেকে ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবদান রাখবে।
