৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষরিত

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৬, ২২:০২
অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার আওতায় চীন সরকার '৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু' নির্মাণে প্রায় ৪শ' কোটি টাকা অনুদান সহায়তা প্রদান করবে। এ সংক্রান্ত দুই সরকারের মধ্যে একটি অনুদান চুক্তি বৃহস্পতিবার ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সম্মেলনকক্ষে স্বাক্ষরিত হয়।
 
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন এবং চীন সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়াং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চীনা দূতাবাস এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
 
সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুটি বরিশাল-ঝালকাঠী-ভান্ডারিয়া-পিরোজপুর-বাগেরহাট-খুলনা সড়কে কঁচা নদীর চরখালী ফেরিঘাটে নির্মাণ করবে। এক হাজার চারশ' মিটার দীর্ঘ এ সেতুটি নির্মিত হলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের ব্যাপক উন্নতি হবে। এটি বরিশালের সাথে পিরোজপুর, বরগুনা, খুলনা অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ করবে।
 
এছাড়া, এ সেতু মংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরের সাথে বরিশালের যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে, যা এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে বরিশাল ও খুলনার মধ্যে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে কঁচা নদীর ফেরি পারাপারে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লাগে। সেতুটি তৈরি হলে যাতায়াতে সময়ের অপচয় হবে না এবং সড়ক যোগাযোগ সহজতর হবে।
 
উল্লেখ্য, চীন সরকারের অনুদানে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন এ পর্যন্ত ৭টি সেতু নির্মিত হয়েছে। সর্বশেষ মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কে আড়িয়াল খাঁ নদীর উপর ৭ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু (কাজীরটেক সেতু) নির্মিত হয়েছে।