'ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ন্ত্রণে পরিবহন আইন হচ্ছে'

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৬, ২১:০২
 
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যানজট নিরসনে সরকার গাড়ির ব্যবহার সীমিত করার প্রস্তাব রেখে একটি আইন করার চিন্তা-ভাবনা করছে। পরিবার প্রতি গাড়ির সংখ্যা নির্ধারণের বিষয়টি প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনের খসড়ায় সংযোজন করা হবে।
 
মন্ত্রীর আশা, আইনটি হলে যানজট নিরসনের পাশাপাশি রাজধানীর রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়িও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
 
রবিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইন-২০১৬ খসড়ার উপর দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উদ্যোগে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
 
মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও যানজট দূর করাসহ রাস্তায় সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনস্বার্থে এবং মানুষের কল্যাণে সড়ক পরিবহন আইন করতে হবে।
 
ওবায়দুল কাদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনার উপর ভুল  তথ্য উপস্থাপন করায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ডা. এন. প্রানিথারনের কাছে প্রশ্ন করে তার ব্যাখ্যা চেয়ে বলেন, বাংলাদেশে ২১ হাজার মানুষ বছরে নিহত হয় এমন তথ্য সম্পূর্ণ অসত্য। তাই এ ধরনের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন না করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে আরো সতর্ক হওয়ার আহবান জানান।
 
মন্ত্রী প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইন-২০১৬-জরিমানা ও শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করার আহবান জানিয়ে বলেন, আইনে এমন কিছু থাকতে হবে যাতে আইনকে ভয় পায় এবং বাস্তবে তা কার্যকর করা যায়।
 
বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌ পরিবহন মন্ত্রী এম. শাজাহান খান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ডা, এন, প্রানিথারন , নিরপাদ সড়ক চাই-এর সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, সাংবাদিক- কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, বাংলাদেশ পরিবহন সমিতির মহাসচিব এনায়েত উল্লাহ, বাস-ট্রাক ওর্নাস এসোসিয়েশনের সভাপতি সোহেল হায়দার ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী প্রমুখ।