ইমোজি, বর্তমান সময়ের মানুষের মনোভাব প্রকাশের নতুন এক মাধ্যম। লিখে যে মনোভাব প্রকাশ করে মানুষ, তাকেই নতুন মাত্রা দিয়ে থাকে ইমোজি। এর নানান তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদন-
১. ‘ইমোজি’ শব্দের উৎপত্তি জাপানি শব্দ ‘ইমোডজি’ থেকে। এর অর্থ ‘স্মাইলি’ অর্থাৎ ‘হাসিমুখ’।
২. ‘ইমোজি’ প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করে ২০১২ সালে। যদিও ১৯৯৯ সাল থেকে ‘ইমোজি’-র অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু, ২০১২ সালে অ্যাপেল তাদের ‘আইফোনে’ প্রথম ‘ইমোজি’ ব্যবহার করে, যা এক সময় জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছায়।
৩. ২০১৪ সাল থেকে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ‘ইমোজি’-র দাপট শুরু হয়।
৪. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট হিসেবে প্রথম ‘ইমোজি’ ব্যবহার করে টুইটার।
৫. ২০১৩ সালে ‘ইমোজি’ শব্দটিকে তাদের অভিধানে স্থান দেয় অক্সফোর্ড ডিকশনারি।
৬. আমেরিকার বাস্কেটবল প্লেয়ার মাইকেল স্কট এবং পপ তারকা মাইলি সাইরাস প্রথম ‘ইমোজি’-র ট্যাটু এঁকেছিলেন তাদের শরীরে।
৭. ২০১৪ সালের জুন মাসে ২৫০টি নতুন ‘ইমোজি-কে প্রকাশ্যে আনা হয়।
৮. বিশ্বজুড়ে ‘হৃদয়’ আকৃতির ইমোজি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।
৯. ‘ইমোজি’ নিয়ে ইতোমধ্যে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিও তৈরি হয়েছে।
১০. ‘ইমোজি’ অ্যাপও বাজারে এসেছে। এই অ্যাপের সাহায্যে আপনি ‘ইমোজি সেলফি’ও তুলতে পারেন।
