একটি বেসরকারি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে মাহফুজ আনাম এক এগারোর সময়ে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সরবরাহ করা তথ্য যাচাই না করেই পত্রিকায় প্রকাশ করার কথা স্বীকার করেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও এ ধরনের খবর প্রকাশিত হয়। যাচাই না করে এমন সংবাদ প্রকাশ ভুল ছিল বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। তার এ বক্তব্য প্রচারের পর আওয়ামী লীগ ও সরকারের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। দাবি উঠে মাহফুজ আনামকে গ্রেফতার ও সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি নেয়ার। দেশের বিভিন্ন আদালতে মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগনের নেতাকর্মীরা। তার বিরুদ্ধে এভাবে সারা দেশে মামলা দায়েরকে স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি বলে বিবৃতি আসে সুশীল সমাজ, ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম সংগঠন থেকে।
ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে দায়ের করা ৭২ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি একেএম শাহিদুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন।
এর আগে হাইকোর্টের ওপর একটি ডিভিশন বেঞ্চ তার ৬৩টি মামলায় ৪ সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেছিল। আর কিছু মামলায় তিনি নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন চেয়েছেন
মাহফুজ আনামের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক।
