পৃথক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ, ৫ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০১৬, ১৮:৪৫
রংপুরে পৃথক হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।
 
মঙ্গলবার রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের পৃথক আদালতে ওই ২ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের ১৯ নভেম্বর সকালে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের কাশেমপুর বাতান গ্রামে জমিজমা বিরোধের জের ধরে খুন হন কৃষক আব্দুর রহমান। ওইদিনই নিহতের নিহতের ভাই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মিজানুর রহমান, নুরুল হক, নুর ইসলাম, আতিয়ার রহমান, মোকসেদুল হক ও মনোয়ার হোসেনসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০১ সালের ২৫ মার্চ মিঠাপুকুর থানার তৎকালীন ওসি গোলাম মোস্তফা ৪৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রদান করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই মামলা থেকে ৩৭ জনকে খালাস দেয়া হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে দুপুরে রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার কৃষক আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় মিজানুর রহমানের (৩৫) মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং নুরুল হক, নুর ইসলাম, আতিয়ার রহমান, মোকসেদুল হক ও মনোয়ার হোসেনসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে হাজির ছিলেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আইনজীবী রথিশ চন্দ্র ভৌমিক জানিয়েছেন।
 
অপরদিকে ২০০৩ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার জামুবাড়ি কুমারপাড়া গ্রামের হামিদুল হক তার দ্বিতীয় স্ত্রীর ৩ বছরের পুত্র মিলন বাবুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরদিন নিহতের মা মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে বদরগঞ্জ থানায় হামিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০৪ সালের ২০ মার্চ বদরগঞ্জ থানার তৎকালীন এসআই আব্দুস সবুর মামলার একমাত্র আসামি হামিদুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রদান করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে মঙ্গলবার রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান শিশু মিলন বাবু হত্যার অভিযোগে তার সৎ পিতা হামিদুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।