পরবর্তী ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী তাণ্ডব শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রথম ও দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে ৪৫ জন নিহত ও পাচঁশতাধিক লোক আহত হয়েছে। প্রথম দুইদফা নির্বাচনে সহিংসতার পর আবার তৃতীয় ও চতার্থ দফা ইউপি নির্বাচনেও সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী তাণ্ডব শুরু করেছে। ক্ষমতাসীনদের অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গ্রাম-গঞ্জের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পরেছে। তারা সশস্ত্র মহড়া দিয়ে সারাদেশে বিএনপি কর্মী ও ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যেতে হুমকি ধামকি আগের মতোই অব্যাহত রেখেছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে প্রশাসন ও সরকারি দলের যৌথ নৃশংস তান্ডব বিরোধী দল গণমাধ্যম যতই চেঁচামেচি করুক নির্বাচন কমিশনের উচ্চপদস্থ পদাধিকারীরা ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে নির্লজ্জের মতো বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনারবৃন্দ শাশ্বত মিথ্যাবাদী হিসাবে আজ দেশের মানুষের কাছে আখ্যায়িত হয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রাণহানি, বিরোধী দলের প্রার্থীদের অপহরণ ও মনোনয়নপত্র কেড়ে নেওয়া, নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকির মাত্রা বৃদ্ধি করা ইত্যাদি নির্বাচন বিনাশী অপকর্ম অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতা ও মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না। ভোট সন্ত্রাসের অতিমাত্রার কারণ ‘আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডারদের নির্বাচনী এলাকায় অবাধ বিচরণের সুযোগ’র কথা উল্লেখ করেছেন রিজভী।
