জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের নির্বাচনী প্রতীক হাসানুল হক ইনু ও শিরীন আখতার নেতৃত্বাধীন অংশের হাতে দেওয়ার মাধ্যমে ইসি জাসদের বিভক্তিকে আরো এগিয়ে দিয়েছে এবং সেই সঙ্গে ইসির এই সিদ্ধান্ত ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি’ বলে দাবি করলেন শরীফ নূরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান নেতৃত্বাধীন অপর অংশ।
এ অংশের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শুক্রবার এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, 'নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্ত অপ্রত্যাশিত, অসময়োচিত এবং দায়িত্বশীলতার পরিচায়ক নয় বলে আমরা মনে করি।'
গত ১২ মার্চ জাতীয় সম্মেলনকে ঘিরে দুই ভাগ হয় জাসদ। হাসানুল হক ইনু ও শিরীন আখতারের কমিটির পাশাপাশি কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দীন খান বাদল, শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধানের আলাদা কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ বিভক্তি চূড়ান্ত হয়। দুই পক্ষই নিজেদের ‘মূল জাসদ’ দাবি করে দলীয় প্রতীক মশালের দাবি নিয়ে ইসির দ্বারস্থ হওয়ায় গত ৬ এপ্রিল আলাদাভাবে দুই পক্ষের শুনানি করে ইসি।
এরপর গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ইনু-শিরীনের জাসদকেই ‘মূল ধারা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে দলের নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক মশাল তাদের হাতেই থাকে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে অপর অংশের বিবৃতিতে দাবি করা হয়, সিদ্ধান্ত নিতে আরও তথ্য-উপাত্ত প্রযোজন হতে পারে বলে শুনানিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোন পক্ষ মশাল পাবে সে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছিল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের।
IMG0
'এমতাবস্থায়, নির্বাচন কমিশনের আকস্মিক এ সিদ্ধান্ত জাসদকে বিভক্ত করাকেই প্রকারান্তরে এগিয়ে নিয়ে গেছে, যা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না।'
শরীফ নূরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান বলছেন, ১২ মার্চের কাউন্সিলে 'গঠনতন্ত্র ও নির্বাচনী রীতি-নীতি পরিপন্থি' ঘটনার বিষয়ে তাদের অভিযোগগুলো আমলে না নিয়েই ইসি তাদের সিদ্ধান্ত দিয়েছে। বিডি নিউজ।
