চ্যারিটেবল মামলায় দুটি আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে খালেদার রিভিশন

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৬, ১৮:৪৭
 
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার পুনরায় সাক্ষ্য ও জেরা এবং তদন্তের নথি তলবের (কেস ডকেট) আবেদন খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশিন মামলা দায়ের করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন দাখিল করেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী।
 
রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার খালেদা জিয়ার দুটি আবেদন খারিজ করে দেন। ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে করা রিভিশন মামলায় বলা হয়েছে, তত্কালীন ব্যুরোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করে উপযুক্তদের চাকরিতে বহাল রাখে দুর্নীতি দমন কমিশন। অন্যদের চাকরি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। ওই তালিকায় চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের নাম ছিলো। হারুন অর রশিদসহ প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাইকোর্টে রিট করলে তা খারিজ হয়ে যায়। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে তারা লিভ টু আপিল করেন। পরে ওই আপিল প্রত্যাহার করে নেন আপিলকারীরা। যার ফলে হাইকোর্টের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। যেহেতু হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে সেহেতু এই তদন্ত কর্মকর্তার স্বপদে বহাল থাকার যোগ্যতা হারান। ফলে পরবর্তীতে মামলার তদন্তসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড অবৈধ হয়ে গেছে। এছাড়া তিনি কিভাবে পুনরায় নিয়োগ পেলেন, তা আদালতের কাছে গোপন করা হয়েছে।
 
আবেদনে আরো বলা হয়, আসামিপক্ষের জেরায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন যে তিনি কেস ডকেট (সিডি) দেখে জেরার জবাব দিয়েছেন। সাক্ষ্য আইনানুসারে তিনি তা করতে পারেন না। যেহেতু কেস ডকেট দেখে জেরার জবাব দিয়েছেন সেহেতু আসামি পক্ষও ওই কেস ডকেট দেখার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
 
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুদক। আগামী ২৫ এপ্রিল এই মামলায় খালেদা জিয়ার আত্নপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য রেখেছে বিশেষ জজ আদালত-৩।