এক বছরেরও কম সময় পদে থাকার পর মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টোফ মুলার পদত্যাগ করেছেন। ২০১৪ সালে দুটি বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার আগে থেকেই বিমান সংস্থাটি লোকসানের মধ্যে ছিল।
ওই বছর ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে চীনের রাজধানী বেইজিং যাওয়ার পথে রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায়, যার খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। একই বছর বিদ্রোহকবলিত পূর্ব ইউক্রেইনের আকাশে এমএইচ১৭ গোলার আঘাতে বিধ্বস্ত হয়। ‘ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে’ মুলার পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।
২০১৫ সালের মে মাসে মুলার এয়ারলাইন্সটির প্রধান নির্বাহীর পদে যোগ দিয়েছিলেন। দুটি ফ্লাইট বিপর্যয়ে ভেঙে পড়া সংস্থাটিকে নতুনভাবে সংগঠিত করায় নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তিনি। ১৫৬ কোটি ডলার আয়ের পরিকল্পনায় ব্যাপক ছাঁটাই ও অলাভজনক গন্তব্য বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়গুলোও নতুন পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান নুর ইউসুফ বলেছেন, সিইও ক্রিস্টোফকে হারিয়ে আমরা খুবই হতাশ হয়েছি, কিন্তু কারণগুলোও পুরোপুরি বুঝতে পারছি আমরা এবং তার সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। মুলার ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্বপালন করবেন এবং এরপর থেকে এয়ারলাইন্সটির একজন সম্মানিক পরিচালক হিসেবে যুক্ত থাকবেন।
ইতিমধ্যেই নতুন প্রধান নির্বাহীর খোঁজে নেমেছে মালয়শিয়ান এয়ারলাইন্স। এক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি উভয় ধরনের প্রার্থীদের বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। বিমান পরিবহন সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, মুলার একটি শক্তিশালী ব্যবস্থাপনা টিম তৈরি করে গেছেন যা এয়ারলাইন্সটির ঘুরে দাঁড়ানোর ভিত্তি হবে। বিবিসি।
