রাজধানীর উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানাতে বলেছে হাই কোর্ট। আদালতের আদেশ পাওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষকে এই প্রতিবেদন দিতে হবে। পাশাপাশি মারধরের শিকার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র জামিউল ইসলাম নাদিম যাতে কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে- তার ব্যবস্থা নিতে অধ্যক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সংবাদমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে বুধবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. সেলিমের অবকাশকালীন হাই কোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ ও রুল দেয়। মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে 'উদয়ন উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্র মারধরের ঘটনা' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বুধবার প্রতিবেদনটি আদালতের গোচরে আনেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার আবু খালেদ আল মামুন।
এ সময় রাস্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যটর্নি জেনারেল এ এস এম নাজমুল হক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ আর এম হাসানুজ্জামান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালত আদেশ দেয়।
রুহুল কুদ্দুস জানান, ছাত্র প্রহারের ওই ঘটনার তদন্ত করে দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ঢাকার জেলা প্রশাসক, কলেজের অধ্যক্ষ ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ওই শিক্ষার্থীকে ক্লাস করতে দেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, 'জামিউল ইসলাম নাদিম যাতে বাধা ছাড়াই স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে সে বিষয়েও অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।' বিডি নিউজ।
