তৃতীয়ধাপেও এগিয়ে আওয়ামী লীগ

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৬, ০৮:৩৩
প্রথম দু’ধাপের মতো তৃতীয়ধাপের বেশিরভাগ ইউনিয়ন (ইউপি) পরিষদের নির্বাচনের ফলাফলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। রাত সাড়ে ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৪৩টি ইউপির মধ্যে আওয়ামী লীগ ৮৪, বিএনপি ১৬, জাতীয় পার্টি-জাপা-৫ ও অন্যান্য ৩৮ জন জয়ী হয়েছেন। এই ধাপে ৬১৪টি ইউপিতে গতকাল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত একযোগে ভোট অনুষ্ঠিত। যদিও এ ধাপে ভোটের আগেই ২৫জন বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। বিগত দু’ধাপের চেয়ে তৃতীয়ধাপে সহিংসতা অরেকটা কম হলেও ভোট কারচুপি ও অনিয়ম অব্যাহত ছিল। এ পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় ৫৯ ব্যাক্তির প্রাণহানি ঘটেছে।
 
গত ২২ মার্চ প্রথম ধাপে ৭১২ ইউপির ও দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মার্চ ৬৩৯ ইউপির ভোট হয়। দু’ধাপের ১ হাজার ৩৫১টি ইউপির মধ্যে আওয়ামী লীগ ৯৮৪টি ও বিএনপি ১০৮ ইউপির চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়। স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল জয় পেয়েছে ২৮৯টি ইউপিতে। প্রথমধাপে আওয়ামী লীগ ৫৪০, বিএনপি ৪৭, দ্বিতীয় ধাপে আওয়ামী লীগ ৪৪৪টি এবং বিএনপি ৬১টি ইউপিতে জয় পেয়েছিল। ইসির হিসেবে প্রথম ধাপে ৭৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ধাপে ভোটের হার ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। আমাদের জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো ফলাফল নিচে দেয়া হলো।
 
রামগড়ে দু’টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী
 
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ১নং রামগড়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো: শাহ আলম এবং পাতাছড়ায় মনিন্দ  লাল ত্রিপুরা বিজয়ী হয়েছেন।
 
চাটখিলে ৮ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী
 
নোয়াখালীর চাটখিলের ৮টি ইউপিতে আওয়ামীলীগের বিজয়ীরা হলেন, ১নং সাহাপুরে গোলাম হায়দার কাজল, ২নং রামনারায়নপুরে মুক্তিযোদ্ধা সাহা আলম চৌধুরী, ৩নং পরকোটে বাহার আলম মুন্সি, ৪নং বদলকোটে সোলেয়মান শেখ, ৫নং মোহাম্মদপুরে মোহাম্মদ শহিদ উল্যা, ৬নং পাঁচগাওয়ে বজলুর রহমান বাবর, ৭নং হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগে এস.এম. বাকি বিল্লাহ এবং ৮নং নোয়াখলায় ইব্রাহিম খলিল সোহাগ। ৯নং খিলপাড়ায় আলমগীর হোসেন আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
 
কুষ্টিয়ার খোকসায় ৯টিতে আওয়ামী লীগ বিজয়ী 
 
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ৯টি ইউপিতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, খোকসায় আইয়ুব আলী বিশ্বাস, জানিপুরে হবিবর রহমান, জয়ন্তীহাজরায় আব্দুর রাজ্জাক, বেতবাড়িয়ায় বাবুল আখতার, শিমুলিয়ায় আব্দুল মজিদ খান, ওসমানপুরে আনিসুর রহমান বাবলু,শোমসপুরে বদর উদ্দিন খান, গোপগ্রামে আলমগীর হোসেন ও আমবাড়িয়ায় আব্দুস সাত্তার মোল্লা।
 
আলমডাঙ্গায়  ৫টিতে আওয়ামী লীগ এবং ১টিতে বিএনপির জয়ী
 
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার কালিদাসপুরে নূরুল ইসলাম, জামজামীতে নজরুল ইসলাম, খাসকররায় মোস্তাফিজুর রহমান রুন্নু,         ডাউকীতে লুত্ফর রহমান ও বেলগাছীতে আমীরুল ইসলাম মন্টু বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া জেহালায় বিজয়ী হয়েছেন আমিনুল হক রোকন (বিএনপি)।
 
মিঠাপুকুরে জয়ী ৭জনই আওয়ামী লীগের
 
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ৭টি ইউপির সবকয়টিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এরা হলেন লতিফপুরে ইদ্রিস আলী মন্ডল, কাফ্রিখালে আশরাফুল ইসলাম, দুর্গাপুরে সাইদুর রহমান, বড় হযরতপুরে রুস্তম আলী, মির্জাপুরে আব্দুর রউফ মিয়া, এমাতপুরে আফসার মিয়া, পায়রাবন্দে ফয়জার রহমান খান।
 
নাগেশ্বরীর ১৪ ইউনিয়নে জাপা ৫, আওয়ামী লীগ ৪, বিএনপি ১
 
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর ১৪ ইউনিয়নে বেসরকারি ভাবে ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে। এতে আওয়ামীলীগ ৪, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ২, বিএনপি ১, বিএনপির বিদ্রোহী ১, জাতীয় পার্টি ৫ ও জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী ১ ইউনিয়নে জয়লাভ করেছে। বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যানারা হলেন রামখানা ইউনিয়নে আব্দুল আলীম সরকার (নৌকা), সন্তোষপুরে লিয়াকত আলী লাকু (নৌকা), রায়গঞ্জে আ স ম আব্দুল্ল্যাহ আল ওয়ালিদ মাসুম (নৌকা), বামনডাঙ্গায় আমজাদ হোসেন (লাঙ্গল), বেরুবাড়ীতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোত্তালেব (মোটরসাইকেল), ভিতরবন্দে আমিনুল হক খন্দকার (লাঙ্গল), হাসনাবাদে গোলাম মাওলা আজাদ (ধানের শীষ), নেওয়াশীতে আমজাদ হোসেন সরকার (লাঙ্গল), কালিগঞ্জে মতিয়ার রহমান ব্যাপারী (লাঙ্গল), কেদারে মাহবুবুর রহমান (নৌকা), কচাকাটায় আব্দুল আউয়াল (লাঙ্গল), বল্লভেরখাসে জাতীয়পার্টির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আকমল হোসেন (চশমা), নুনখাওয়ায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবুল হোসেন (চশমা) ও নারায়নপুর ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবর রহমান (আনারস)।
 
নীলফামারীর ৫ ইউনিয়নের ২ টিতে নৌকা
 
নীলফামারী সদরের ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ২টিতে নৌকা জয়ী হয়েছে। নির্বাচনে চড়াইখোলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন বসুনিয়া মানিক, রামনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের মিজানুর রহমান বাবু, কচুকাটা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, সোনারায় ইউনিয়নে জামায়াত নেতা মোস্তফা কামাল এবং সংগলশী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের কাজী মোস্তাফিজুর রহমান শাহ বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
 
ডিমলায় ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি আওয়ামী লীগ জয়ী
 
নীলফামারীর ডিমলায় ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টির বেসরকারী ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৫টিতে নৌকা ও ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের বিজয়ীরা হলেন, পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক সরকার, বালাপাড়া ইউনিয়নে জহুরুল ইসলাম ভুইয়া, ডিমলা সদর ইউনিয়নের আবুল কাশেম সরকার, নাউতরা ইউনিয়নে সাইফুল ইসলাম লেলিন, খালিশা চাপানি ইউনিয়নে আতাউর রহমান সরকার। পুর্ব ছাতনাই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল লতিফ খান (আনারস) বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ফলাফল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
 
নওগাঁ ৮টির ৭টিতে আওয়ামী লীগ বিজয়ী
 
নওগাঁর নিয়ামতপুরে আটটি ইউনিয়নে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, নিয়ামতপুর সদর ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বজলুর রহমান নঈম, হাজিনগরে আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ), ভাবিচায় ওবায়দুল হক (আওয়ামী লীগ), বাহাদুরপুরে আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ), রসুলপুরে আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ), শ্রীমন্তপুরে আজহারুল ইসলাম বুলু (আওয়ামী লীগ), পাড়ইল ইউপিতে সৈয়দ মুজিব (আওয়ামী লীগ) ও চন্দননগরে বদিউজ্জামান বদি (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) বিজয়ী হয়েছেন।  
 
গাজীপুরে আওয়ামী লীগ জয়ী
 
গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়ীয়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী আকতারুজ্জামান শুকুর বিজয়ী হয়েছেন।
 
শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাটে আওয়ামী লীগের ৭ ও বিদ্রোহী ৬ জয়ী
 
আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা হলেন, বিনোদপুর ইউনিয়নে আবদুল হামিদ সাকিদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায়, চিতলিয়ায় আবদুস সালাম হাওলাদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায়, চন্দ্রপুরে মো. ওমর ফারুক, পালং ইউনিয়নে আবুল হোসেন দেওয়ান, গোসাইরহাটে মো. মোজাফফর হোসেন সরদার, সামন্তসারে আবুল কালাম, নলমুড়িতে মো. মাহফুজুর রহমান মিয়া। বিদ্রোহী চেয়ারম্যানরা হলেন, তুলাসারে মো. জাহিদ হোসেন ফকির, রুদ্রকরে মো. হাবিবুর রহমান ঢালী, আংগারিয়ায় আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, ডোমসারে মো. চাঁন মিয়া সরদার, চিকন্দী ইউনিয়নে মো. এনামুল হক মুন্সী ও কোদালপুের এসএম মিজানুর রহমান সরদার। শৌলপাড়া ইউনিয়নে একটি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ থাকায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে।
 
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে বিএনপি ৩, স্বতন্ত্র ৩, আওয়ামী লীগ ১
 
বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন, তেওতা ইউপিতে আব্দুল কাদের, উলাইলে আনিসুর রহমান, শিমুলিয়ায় জসিম উদ্দিন। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যানরা হলেন, উথলীতে মাসুদুর রহমান মাসুদ, শিবালয় মডেল ইউপি আলাল উদ্দিন, এবং মহাদেবপুরে মাহমুদুল আমীন ডিউক। আরুয়ায় জিতেছে আওয়ামী রীগের আকতারুজ্জামান খান মাসুম।
 
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলায় ৪টিতে আওয়ামী লীগ ও ৩ টিতে বিদ্রোহীরা জয়ী
 
আওয়ামী লীগের জয়ীরা হলেন, ধোপাখালিতে আকবর আলী, যদুনাথপুরে মির ফিরোজ আহমেদ এবং  মুশুদ্দীতে খন্দকার মনজুর মোরশেদ, পাইস্কাতে আরিফ বজলু। বিজয়ী বিদ্রোহীরা হলেন, বলিভদ্রে সুরুজ্জামান মিন্টু, বীরতারা ইউপিতে শফিকুল ইসলাম ও বানিয়াজানে শামসুল আলম বাবলু।
 
ইসলামপুরের ইসলামপুরে ৪টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী
 
বিজয়ীরা হলেন, গাইবান্দা ইউপিতে মাকছুদুর রহমান আনসারী, চরগোয়ালীনীতে শহিদুল্লা সরকার, চরপুটিমারীতীে আলহাজ সামছুজ্জামান সুরুজ মাস্টার ও গোয়ালেরচরে শেখ হারুন অর রশিদ হারুন (বিনা প্রতিদ্বন্দিতায়)।
 
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় আওয়ামী লীগ ৩, বিএনপি ৩ ও স্বতন্ত্র ৭টিতে বিজয়ী
 
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, গন্ডা ইউপিতে সনজু মিয়া, সান্দিকোনায় আজিজুল ইসলাম ও মোজাফরপুরে নূরে আলম জাহাঙ্গীর চৌধুরী। বিএনপি’র বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, কান্দিউড়া ইউপিতে শহীদুল্লাহ কায়সার, চিরাংয়ে মাহবুব আলম খান জরিপ ও বলাইশিমুলে প্রার্থী আলী আকবর তালুকদার মল্লিক। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন, আশুজিয়ায় রফিকুল ইসলাম রফিক, দলপাতে আমিনুর রহমান খান পাঠান, গড়াডোবায় মজিবুর রহমান বাবলু, মাসকাতে একেএম মোস্তাফিজুর রহমান খোকামণি, নওপাড়ায় শফিকুল ইসলাম শফিক, রোয়াইলবাড়ি আমতলায় এসএম ইকবাল রুমী, পাইকুড়ায় হুমায়ূন কবীর চৌধুরী।
 
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে আওয়ামী লীগ ৩, বিএনপি ১ ও স্বতন্ত্র ৩টিতে জয়ী
 
আওয়ামী লীগের জয়ীরা হলেন, নিকলী সদরে কারার বোরহানউদ্দিন, দামপাড়ায় আবু তাহের, কারপাশায় টাকি আমান খান। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন, ছাতিরচরে মো. জামালউদ্দিন, সিংপুরে আনোয়ারুল হক, জারইতলায় কামরুল ইসলাম মানিক এবং গুড়ইয়ে একমাত্র বিএনপি প্রার্থী জয়ী মো. আবু তাহের।
 
সিলেটের জৈন্তাপুর আওয়ামীলীগ ১, বিএনপি ২, আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র ১ জন
 
সিলেটের জৈন্তাপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদে বেসরকারীভাবে চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত এখলাছুর রহমান, ৪নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বাহারুল আলম বাহার। ৫নং ফতেহপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুর রশীদ, ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়ন পরিষদে  আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী আমিনুর রশীদ। জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন সতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল।
 
কানাইঘাটের ৯টির মধ্যে স্বতন্ত্র ২, আওয়ামীলীগ ৪, জামায়াত ১ এবং বিএনপি ২
 
কানাইঘাটের ১নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাক্তার ফয়াজ উদ্দিন, ২নং লক্ষীপ্রসাদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জেমস লিও ফারগুসন নানকা, ৩নং দিঘীরপাড় পূর্ব ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সমর্থিত আলী হোসেন কাজল, ৪নং সাতবাঁকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত মস্তাক আহমদ পলাশ, ৫নং বড়চতুলে জমিয়ত সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা আবুল হোসেন , ৬নং সদর ইউপিতে বিএনপি সমর্থিত মামুন রশিদ , ৭নং দক্ষিণ বানীগ্রাম ইউপিতে আওয়ামীলীগ সমর্থিত মাসুদ আহমদ, ৮নং ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপিতে বিএনপির বিদ্রোহী আব্বাস উদ্দিন, ৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফখরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
 
বানিয়াচংয়ে ৮টি আওয়ামীলীগ, বিএনপি ৩ টি
 
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের সদর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নে গিয়াস উদ্দিন (বিএনপি), উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নে ওয়ারিশ উদ্দিন খান (বিএনপি), সদর দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নে মাওলানা হাবিবুর রহমান (জামায়াত), সুবিদপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী (আওয়ামীলীগ), মক্রমপুর ইউনিয়নে মো. আহাদ মিয়া (আওয়ামীলীগ), পৈলারকান্দি ইউনিয়নে ফজলুর রহমান খান (আওয়ামীলীগ), মুরাদপুর ইউনিয়নে মো. মধু মিয়া (বিএনপি), কাগাপাশা ইউনিয়নে এরশাদ আলী (আওয়ামীলীগ), খাগাউড়া ইউনিয়নে শাহ শওকত আরেফীন সেলিম (আওয়ামীলীগ), মন্দরী ইউনিয়নে শেখ সামছুল হক (আওয়ামীলীগ), বড়ইউড়ি ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান (আওয়ামীলীগ), দৌলতপুর ইউনিয়নে লুত্ফুর রহমান (আওয়ামীলীগ), পুকড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন (আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী)।