সেমাবার সকালে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ফেরি ঘাট থেকে ৪০ ড্রাম ভর্তি বাগদা চিংড়ির রেনুসহ ২ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় রেনু বহনকারী ট্রাকটি আটক করেন তারা। সেই সাথে ট্রাকের চালক ঝালকাটির করিম হাওলাদারের পুত্র নাসির হাওলাদার ও হেরপার বাগেরহাটের মজিদ মিয়ার পুত্র বক্কর মিয়াকে (২৫) আটক করা হয়। আটককৃত চিড়ির রেনুগুলো পরে লৌহজং উপজেলা ভূমি অফিস সামনের পদ্মার শাখা নদীতে জনসম্মুখে অবমুক্ত করা হয়।
বিশাল এই চালান আটকের তত্ত্বাবধানকারী পাগলা কোস্টগার্ডের লে. কমান্ডার সায়ীদ এম কাসেদ জানান, ফেনির মাতামুহরী সমুদ্র উপকুল থেকে ৪০টি ড্রামে ভর্তি গলদা চিংড়ির রেনু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ ও ঢাকার পোস্তাগোলা ব্রিজ হয়ে ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে দক্ষিণ বঙ্গের বাগেরহাটের একটি হেচারিতে যাচ্ছিল এই চিংড়ির রেনু। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে ফেনি থেকে সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোমবার সকালে শিমুলিয়া ঘাটে ট্রাকটি আটক করে কোস্টগার্ড। বর্তমান মত্স্য আইনে এই চিংড়ি ধরা ও বিক্রি সম্পর্ণ নিষিদ্ধ হলেও আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে এই রেনু সমুদ্র থেকে সংগ্রহ করে বাগের হাটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বিক্রি জন্য। পরে ট্রাক চালক হেলপারসহ চিংড়ির রেনুগুলো জব্দ করা হয়। পরে তা মুন্সীগঞ্জ জেলা মত্স্য বিভাগের কাছে হস্তানান্তর করা হয়।
জেলা মত্স্য কর্মকর্তা ড. আতিউর রহমান জানান, এ ধরনের চিংড়ির রেনু ধরা বর্তমানে নিষিদ্ধ রয়েছে। আটককৃত ট্রাক চালক ও হেলপাররের নিকট থেকে মুখলেকা রেখে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, বর্তমানে প্রতিটি বাগদা চিংড়ির পিএল বা রেনু মূল্য প্রায় ৫ টাকা। সে হিসেবে প্রায় ২০ লাখ রেনুর মূল্য এক কোটি টাকার মত হবে।
