নাটোরের বাদাম চাষীদের প্রশিক্ষণ দিল প্রাণ

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৬, ১৬:০১
নাটোর এলাকার চাষীদের উন্নত আবাদ প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল জাতের বাদাম চাষ এবং আফলাটক্সিন প্রতিরোধ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে প্রাণ।
 
আফলাটক্সিন এক প্রকার ছত্রাকজনিত বিষক্রিয়া, যা অ্যাসপারজিলাস ছত্রাকের প্রভাবে উৎপন্ন হয়। আফলাটক্সিনের কারণে বাদাম চাষীরা প্রতি বছর আশানুরূপ ফসল হতে বঞ্চিত হন এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
 
এ প্রশিক্ষণে আফলাটক্সিন বিষক্রিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং আফলাটক্সিন মোকাবেলায় সহনশীল জাতের বিজ উদ্ভাবন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে কৃষিশিল্পে লগ্নীকারী এ প্রতিষ্ঠানটি।
 
সম্প্রতি প্রাণ-এর নাটোর এগ্রো লিমিটেডের কারখানায় প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এ উদ্যোগে সহায়তা করছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)। এতে জেলার ৬০ জন কৃষক যোগ দেন।
 
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা জানান, বাদামে আফলাটক্সিনের প্রভাব কমাতে এ প্রশিক্ষণ তাদের কাজে আসবে।
 
এ সময় নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আলহাজ্ব উদ্দিন, বারির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মঞ্জুরুল কাদির ও ড. মুবারক আলী উপস্থিত ছিলেন।
 
এ ব্যাপারে প্রাণ এগ্রো বিজনেস লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, প্রাণ চাষীদেরকে নানাভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এটি কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।
 
প্রাণ এর অধীনে ৬ হাজার চুক্তিভিত্তিক বাদাম চাষী রয়েছেন। এ মৌসুমে প্রাণ খামারিদের কাছ থেকে প্রায় ৪,০০০ টন বাদাম সংগ্রহ করবে বলেও জানান তিনি।