লড়াকু ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে পেরে ওঠেনি ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি। জিনেদিন জিদানের দলের সঙ্গে সমানে সমান লড়াই করে ড্রয়ের স্বস্তিতে মাঠ ছেড়েছে ম্যানুয়েল পেল্লেগ্রিনির দল।
প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি ফাইনালে ওঠা প্রতিপক্ষের মাঠে জয় না পাওয়ার হতাশা থাকলেও ফিরতি পর্বে নিজেদের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকছে রিয়ালের। সম্ভাবনা থাকছে সিটিরও, কারণ নিজেদের মাঠে গোল করতে না পারলেও কোনো গোল খায়নি তারাও।
ফলে আগামী বুধবার রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে হতে যাওয়া ফিরতি পর্বে ন্যূনতম ১-১ গোলে ড্র করলেই অ্যাওয়ে গোলের হিসেবে ফাইনালে উঠে যাবে তারা। ম্যাচ শুরুর ঘণ্টা দেড়েক আগে রিয়াল সমর্থকদের জন্য দু:সংবাদ হয়ে আসে রোনালদোর না খেলার খবর। দলের সেরা তারকার অনুপস্থিতি মাঠের খেলায়ও প্রভাব পড়ে; প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য কোনো আক্রমণই করতে পারেনি তারা। অবশ্য এই সময়ে সিটিও গোলে কোনো শট নিতে পারেনি।
বিরতির সময় করিম বেনজেমাকে তুলে নিয়ে হেসে রদ্রিগেজকে নামান জিদান। স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ডের সুবাদেই ৭১তম মিনিটে প্রথম ভালো সুযোগ পায় রিয়াল। তবে হেসের হেডে বল ক্রসবারে লাগলে হতাশ হতে হয় তাদের। তিন মিনিট পর বল পায়ে ডি বক্সে ঢুকে বাঁ-পায়ের কোনাকুনি শট নিয়েছিলেন গ্যারেথ বেল, তবে বল গোলরক্ষক জো হার্টকে পরাস্ত করলে পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
শেষ দিকে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ বাড়ানো রিয়াল ৭৮তম মিনিটেও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়, তবে এ যাত্রায় কাসেমিরোর হেড পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন হার্ট। তিন মিনিট পরই আরেকটি দুর্দান্ত সেভ। ছয় গজী বক্স থেকে পেপের শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। যোগ করা সময়ে বড় বাঁচা বেঁচে যায় রিয়াল; কেভিন ডি ব্রুইনের দারুণ বাঁকানো এক ফ্রি-কিকে বল জালে ঢোকার শেষ মুহূর্তে কোনোমতে এক হাত দিয়ে গোলরক্ষক কেইলর নাভাস ঠেকিয়ে দিলে ড্রয়েই শেষ হয় ম্যাচ। গোল.কম।
