সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিম উদ্দিনকে (২২) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যায়। জসিম উদ্দিন মির্জাপুর গ্রামের ওয়ারিছ আলীর পুত্র। সংঘর্ষে গুরুতর আহত রুপতার মিয়াকে (২৫) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জহিরুল ইসলাম (৪২), কবির আহমদ (২৮), নুর হোসেন (১৮), কফিল মিয়া (১৯), নাজিম উদ্দিন (১৮), সোনা মিয়া (১৮), আঞ্জব আলী (১৯) ও আরজদ আলীকে (২৫) ছাতক হাসপাতালে এবং অন্যান্য আহতদের দোয়ারাবাজার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গ্রামের লিয়াকত আলী মেম্বার ও ইদ্রিস আলী পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। মঙ্গলবার পূর্ব বিরোধের জের ধরে লিয়াকত আলী পক্ষের নুর হোসেন ও ইদ্রিছ আলী পক্ষের ইদন আলীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে বুধবার সকালে দু’পক্ষের মধ্যে সালিশ-বৈঠক চলছিল। অপর দিকে মাঠে খড় বিছানো নিয়ে লিয়াকত আলীর ভাগ্নে জসিম উদ্দিন ও ইদ্রিছ আলী পক্ষের আব্দুল মতিনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে একজন নিহত উভয় পক্ষের ২০জন আহত হয়েছে। ছাতক থানার ওসি আশেক সুজা মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
