দেশে ১৮ বছরের উপরে ১৬ দশমিক এক শতাংশ মানুষ মানসিক রোগী। আর শিশুদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এসব রোগীর চিকিত্সার জন্য সারাদেশে ডাক্তার রয়েছে মাত্র ২১০ জন।
দেশের ছয়টি জেলার মোট জনসংখ্যার উপর পরিসংখ্যান করে এ তথ্য জানিয়েছে একশন অন ডিসএবিলিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট (এডিডি) ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় সংস্থাটি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ড. জিল্লুর রহমান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।
কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমাদেরকে সামাজিক কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অনেক সময় পরিবারের কোনো সদস্য মানসিক রোগে ভোগলে তাকে লোক লজ্জায় চিকিত্সা দেয়া হয় না। যে কারণে এ রোগীর সংখ্যা দিনদিন বাড়তে থাকে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের চিকিত্সা ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা আছে। মানসিক রোগীদের কিভাবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা যায় আমরা সে বিষয়ে কাজ করছি। তিনি বলেন, আমাদের দেশে মানসিক রোগীদের ক্ষেত্রে ঝাড়-ফুক, তাবিজ-কবিরাজি চিকিত্সাসহ বিভিন্ন সময় অপচিকিত্সা দেয়া হচ্ছে। এ থেকে তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে।
