২২ মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত

আপডেট : ০৯ মে ২০১৬, ২০:০১
 
গেজেটভুক্ত ৪৭৯ নৌ-মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার ২২ মুক্তিযোদ্ধার নাম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ নাম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা স্থগিত করেছে আদালত।
 
সোমবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এবং বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 
রিটে বিবাদী করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং গাইবান্ধা জেলা প্রশাসককে। মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম। তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার গালিব আমিদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
 

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ২২ রিট আবেদনকারীসহ ৪৭৯ জন মুক্তিযোদ্ধা ভারত থেকে নৌ-কমান্ডো ট্রেনিং সম্পন্ন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সাত সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় কমিটি বিগত ২০০১ সালে নৌ-কমান্ডো মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা চূড়ান্ত করে। পরে ২০০৪ সালের ১৫ জুন এবং ২০০৫ সালের ১৭ এপ্রিল ৪৭৯ জন নৌকমান্ডোদের নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করা হয় এবং ওই সময় থেকে তারা নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতা পেয়ে আসছেন। কিন্তু প্রভাবশালী ব্যক্তির রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল গত ৭ এপ্রিল রিট আবেদনকারীসহ ২৪ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হান্নান সরকারসহ ২২ জন মুক্তিযোদ্ধা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।