সোমবার শুরু বিচ ফুটবল টুর্নামেন্ট

আপডেট : ১২ মে ২০১৬, ১৯:০২
আবারো শুরু হতে যাচ্ছে বিচ ফুটবল টুর্নামেন্ট। আগামী ১৬ মে সোমবার থেকে কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্ট শুরু হতে যাচ্ছে ‘ওয়ালটন তৃতীয় কক্সবাজার বিচ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৬। 
 
তিনদিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা চলবে ১৮ মে পর্যন্ত। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হয়েছিল ‘ওয়ালটন প্রথম বিচ ফুটবল টুর্নামেন্ট।’
 
বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় কক্সবাজার জেলার ৮টি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নিবে। দলগুলো হল- কক্সবাজার আবাহনী ক্রীড়া চক্র, ন্যাশনাল কক্স ক্রীড়া সংঘ, মালুমঘাট ক্রীড়া সংঘ, ইয়ংমেন্স ক্লাব, কোটবাজার খেলোয়াড় সমিতি, ফুটবল ক্লাব মহেশখালী, বাঁশকাটা খেলোয়াড় সমিতি ও শতদল ক্লাব।
 
প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন দল ২০ হাজার ও রানার আপ দল ১৫ হাজার টাকা প্রাইজমানি পাবে। এ ছাড়া প্রত্যেকটি দল অংশগ্রহণের জন্য সম্মানি পাবে।
 
সংবাদ সম্মেলনে এক বক্তব্যে ওয়ালটন গ্রুপের স্পোর্টস এন্ড ওয়েলফেয়ার বিভাগের প্রধান এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার বলেন, ‘তৃতীয়বারের মতো ওয়ালটন গ্রুপ পৃষ্ঠপোষকতা করছে এই বিচ ফুটবল টুর্নামেন্টে। ইনশাল্লাহ নিয়মিত এই আয়োজনের পাশে থাকার চেষ্টা করবে ওয়ালটন। ওয়ালটন গ্রুপ মূলত স্পোর্টস ট্যুরিজমকে ডেভেলপ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা মনে করি এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভালো কিছু খেলোয়াড় উঠে আসতে পারে। যারা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে জেলা ভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেতে পারে। আমি এই প্রতিযোগিতার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।’
 
কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল বিষয়ক সম্পাদক ও ওয়ালটন তৃতীয় বিচ ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক রাশেদ হোসেন নান্নু বলেন, ‘ওয়ালটন প্রায় সব ধরণের খেলাধুলায় পৃষ্ঠপোষকতার হাত বাড়িয়ে না দিলে ক্রীড়াঙ্গন এতোটা প্রাণবন্ত থাকত না। ওয়ালটন টানা তৃতীয়বারের মতো কক্সবাজার বিচ ফুটবল টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
 
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এজিএম মেহরাব হোসেন আসিফ, আয়োজক কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনুপ বড়ুয়া অপু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল বিষয়ক সম্পাদক এবং ওয়ালটন তৃতীয় বিচ ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক রাশেদ হোসেন নান্নু, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের প্রশাসক মো. ইয়াহিয়া।