শেখ হাসিনার স্বদেশ পত্যাবর্তন দিবসে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

আপডেট : ১৭ মে ২০১৬, ২০:১৬
 
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৫তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে আনন্দ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষেণ শেষে টিএসসির রাজুভাস্কর্যের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়।
 
সমাবেশে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, এক হায়নার দল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বপ্নগুলোকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপায় আমাদের প্রাণের নেত্রী দেশরত্ন  শেখ হাসিনা তখন স্বামীর সঙ্গে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। ছোট বোন শেখ রেহানাও ছিলেন আপা-দুলাভাইয়ের সাথে।
 
 
IMG0
 

সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, আজ থেকে ৩৫ বছর আগে, গরীব, দুঃখী, ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষগুলোর দুর্দশার কথা চিন্তা করে, মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা অশ্রুসিক্ত চোখে দেশের মাটিতে ফিরে এসেছিলেন, পিতা-মাতা, ভাই- বোন আর স্বজন হারা মুজিব কন্যা। তাঁকেও হাটতে হয়েছে বিস্তর বন্ধুর পথ। স্বজন হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে আজ তিনি দেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। তার নেতৃত্বগুণেই বিশ্ব দরবারে নতুনভাবে পরিচিতি পাচ্ছে যে দেশ সে এক নতুন বাংলাদেশ। তিনি না ফিরলে হয়তো এদেশের ইতিহাসটা অন্ধকারেই পাক খেতে থাকতো। তিনি ফিরেছিলেন বলেই হয়তো আজ বাঙালির কুঁড়ে ঘরে দুমোঠো ভাত আর একটুখানি সুখ খেলা করে। আমাদের সামনে হাতছানি দিয়ে ডাকছে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

 

আনন্দ মিছিলে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এরশাদুর রহমান চৌধুরী, কামাল মোহাম্মদ নাসের রুবেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম রেজা, সজীব বিশ্বাস প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার মোহাম্মদ শাহজাদা, আন্তর্জাতিক সম্পদক ইমরান আহমদ, সহ সম্পাদক রেজা আকাশ, ঢাবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্সসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।