ইসলামিক স্টেট (আইএস) বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার জোট সরকারকে অস্ত্র সহায়তা দেয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্য পরাশক্তিগুলো। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এবং ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ২৫টি দেশের প্রতিনিধিদের এক বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেয়া হয়।
লিবিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলোর হাত থেকে অস্ত্র দূরে রাখতে জাতিসংঘ দেশটিতে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা জারি করে। বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এবং অন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একমত হন যে তারা এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়াকে সমর্থন করবেন যাতে লিবিয়ার নতুন সরকার আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।
বৈঠক শেষে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেন, লিবিয়ার সরকারের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে নতুন করে অস্ত্র সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কেরি বলেন, জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সৃষ্টি হওয়া লিবিয়া সরকারই দেশটিতে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা কমিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবে। আর আইএসকে পরাজিত করার জন্য অস্ত্র ছাড়া তাদের আর কোনো গত্যন্তর নেই।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়াতে স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর বিভক্ত হয়ে পড়ে দেশের রাজনীতি। গঠিত হয় দুইটি ভিন্ন সরকার। এরপর থেকেই চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে লিবিয়া। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা মধ্যস্থতায় দুই সরকার একত্র হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
