মহা ধুমধামের মধ্যে সন্ধ্যায় চার হাত এক হলো। কিন্তু সকাল হতে না হতেই বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে ইতি ঘটল সম্পর্কের। অবিশ্বাস্য হলেও এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজনর জেলায়।
বুধবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কনের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তাদের সিন্দুক থেকে প্রায় দেড় লাখ রুপি ও গহনা চুরি হয়েছে। এই ঘটনায় বরযাত্রীসহ বরকেও আটক করে করে পক্ষ।
কনের পরিবারের অভিযোগ, বরের এক আত্মীয় অর্থ চুরি করেছে। সকালে পুলিশ আসার পর বরযাত্রী মুক্ত হন। আর মুক্ত হওয়ার পরপরই বর কনেকে তালাক দিতে সময় নেননি।
গ্রামবাসীদের ভাষ্যে, সোমবার পাশের চান্দপুরান গ্রাম থেকে বরযাত্রীসহ বিয়ে করতে আসেন কারি ইমরান। কনের বাবা নাসির আহমেদ অভিযোগ করেন, বরের ভাতিজা আকিব ও এক নারী এক লাখ ৪৫ হাজার রুপি ও কিছু গয়না সিন্দুক থেকে চুরি করেন।
বরের আত্মীয়স্বজন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, কনের আত্মীয়রা তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে ও বরযাত্রীদের আটক করে রেখেছে। এর মধ্যে কেউ পুলিশকে খবর দিলে সকালে এসে পুলিশ তাদের মুক্ত করে।
মুক্ত হওয়ার পর পরই ইমরান তার নববিবাহিত স্ত্রীকে তালাক দিতে বিন্দুমাত্র সময় নেননি। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে তিনি বলেছেন, আমি তালাক দিকে প্রস্তুত ছিলাম না, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়েছি।
এ ঘটনার পর উভয় পক্ষকেই থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানান স্থানীয় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিব কুমার। কোনো পক্ষই লিখিত কোনো অভিযোগ করেনি বলেও জানান তিনি।
গ্রামপ্রধান রশিদ কোরেশি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করার চেষ্টা করছেন তারা।
