ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেও খুশি তুরস্ক

আপডেট : ২৩ মে ২০১৬, ২১:৩৫
র্যাংকিংয়েও বিশাল দূরত্ব। আগের ১১ বারের মুখোমুখিতে জয় তো দূরের কথা ইংল্যান্ডের জালে কখনও গোলও দিতে পারেনি তুরস্ক। তবে রবিবার রাতে ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হারলেও প্রথমবারের মতো দুর্বার এই প্রতিপক্ষের জালে গোল দিয়েছে তারা।
 
ইংল্যান্ডের জালে তুরস্কের গোলদাতার তালিকায় চিরদিনের জন্য প্রথম হয়ে গেলেন ২২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
 
দুই দলের আগের ১০ বারের দেখায় তুরস্কের জালে ইংল্যান্ডের গোল ছিল ৩১টি; তুরস্কের পাশে ছিল শূন্য। ১১ ম্যাচের মধ্যে ইংল্যান্ডের জয় ৯টি; বাকি দুই ম্যাচ ড্র।
 
ইতিহাদের এই ম্যাচটিও ড্রয়ের দিকে এগুচ্ছিল। কিন্তু লেস্টার সিটিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম শিরোপা জেতাতে দারুণ ভূমিকা রাখা ভার্ডির জয়সূচক গোলে তা আর হয়নি। তৃতীয় মিনিটে অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে কেইনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে ডেলে আলির দেওয়া বুদ্ধিদ্বীপ্ত পাস থেকে লক্ষ্যভেদ করেন সর্বোচ্চ ২৫টি গোল করে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০১৫-১৬ মৌসুম শেষ করা টটেনহ্যাম হটস্পারের এই ফরোয়ার্ড।
 
১০ মিনিট পরই সমতা ফেরায় অতিথিরা। সতীর্থের কাছ থেকে পাওয়া বল নিয়ে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে যাওয়া ভলকান সেনকে আটকাতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন গোলরক্ষক জো হার্ট। ভলকানের বাড়ানো বল নিখুঁত প্লেসিং শটে ঠিকানায় পৌঁছে দেন বায়ার লেভারকুজেনের স্ট্রাইকার কালহানোগলু।
 
৭২তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে পোস্টের বাইরে দিয়ে বল মেরে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট করেন কেইন। ভার্ডিকে ডি-বক্সে ফেলে দেওয়া হলে স্পট কিকের বাঁশি বাজান রেফারি।
 
৮৩তম মিনিটে আবার এগিয়ে যায় রয় হজসনের দল। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে গ্যারি ক্যাহিলের হেড পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেননি তুরস্কের গোলরক্ষক; দুরূহ কোণ থেকে হলেও গতিময় শটে সুযোগটি কাজে লাগান ভার্ডি।
 
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা।