কূটনৈতিক এলাকা হিসেবে পরিচিত রাজধানীর গুলশান, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩ হাজার ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৬৪২টি ক্যামেরা স্থাপন হয়ে গেছে। আগামীকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠে সিসি ক্যামেরা কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের সহযোগিতায় বারিধারা সোসাইটি, গুলশান সোসাইটি, নিকেতন সোসাইটি এবং গুলশান ইয়ুথ ক্লাব এই সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ করে। এই ক্যামেরাগুলো গুলশান থানা ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সেন্ট্রাল কমান্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এর আগে স্বল্প পরিসরে সিসি ক্যামেরা প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। গুলশানের ল’ অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে নতুনবাজার, গুলশান ১ ও ২, হাতিরঝিল, নিকেতন এবং বারিধারায় মোট ১০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এরপর এটি বাড়িয়ে ৬৪২টি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি ৩ হাজারে উন্নীত করা হবে। ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে সব সময় নজরদারি ছাড়াও ফেস ডিটেকশন, ভেহিকেল ট্র্যাকিং, ট্রাফিক কন্ট্রোল, অটো নম্বর প্লেট ডিটেকশন, ক্রিমিনাল ডিটেকশন করা যাবে। অপরাধীদের গতিবিধিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে নগরের যানজট ও নিরাপত্তা রক্ষা করা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। তবে এসব উদ্যোগ সফল করতে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য পুলিশ-জনগণের মধ্যে পার্টনারশিপ বজায় রাখা। পর্যায়ক্রমে পুরো ঢাকা মহানগরীকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
