বাঘাইছড়িতে সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনার একদিন পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ ও পুলিশ সুপার আলমগীর কবিরসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তারা বাঘাইছড়ির নয়কিলো এলাকায় হামলার স্থান ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। এই সময় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, এই জঘন্যতম ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ অভিযান শুরু করবে। যেকোনো সময় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু হবে বলে জানান তিনি।
রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার আলমগীর কবির বলেন, পাহাড়ে ভৌগোলিক অবস্থার কারণে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা অসম্ভব, তারপরেও যথেষ্ট নিরাপত্তা থাকা সত্যেও সন্ত্রাসীদের এই ধরনের হামলা উদ্বেগজনক।

নিহতদের মরদেহ। ছবি: সংগৃহীত
এরপর তারা বাঘাইছড়ি থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন গুলিবিদ্ধ আহত রোগীদের দেখতে যান। জেলা প্রশাসন আহত সাতজনকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করেন।
আরো পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত: বাস পোড়ানোর চেষ্টাকারীদের প্রতিহত করলেন শিক্ষার্থীরা
এদিকে, নিহত সাতজনের মরদেহ খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে লাশ দাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছে।
এদিকে রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ির হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একদিন পর বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুরেশ কান্তি তংঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকালে বিলাইছড়ি ফারুয়া এলাকার আলিক্ষিয়ংয়ে এই ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলা নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ করে ফারুয়া ইউনিয়ন থেকে বোড যোগে বিলাইছড়িতে ফিরছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি ইউএনও আসিফ ইকবাল বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে। উপজেলার সর্বত্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
