ধলেশ্বরী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ

আপডেট : ২৫ মে ২০১৬, ১৫:৪৯
 
ধলেশ্বরী নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ৩০ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালতের আদেশ প্রাপ্তির পর এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।
 
ডিআইডব্লিউটিএ ও জেলা ঢাকা প্রশাসকের এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের  ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেয়। 
 
হিউম্যান রাই্টস ফর পিস বাংলাদেশের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের  ১ মার্চ হাইকোর্ট ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবৈধ দখলদারের তালিকা চেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সরকারকে নির্দেশ দেয়। ঐ নির্দেশ মোতাবেক ঢাকার ডিসি ও ডিআইডব্লিউটিএ হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয়। ঐ প্রতিবেদনে অবৈধ স্থাপনা, মাটি ভরাট ও অবৈধ দখলদারীদের নামের তালিকা তুলে ধরা হয়।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, ধলেশ্বরী নদীর সীমানা চিহ্নিত ৬, ৭, ৮, ৯ ও ১০ নং পিলারের স্থানে চারটি বালুর গদি  ও ইটের গদি রয়েছে। এছাড়া ১১ ও ১২ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে দ্বীন ফার্নিচার নামক একটি প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করছে। এতে দখলকৃত জায়গার ১৩ হাজার বর্গফুট খাস খতিয়ানভুক্ত এবং নদীর তীরভূমির অংশে পড়েছে।
 
হাইকোর্টে প্রতিবেদনে দাখিলের পরই আদালত শুনানি নিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নির্দেশ দেয়।
 
রিটকারী সংগঠনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ।