আদালতে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত (মিস গাইড) করায় সুপ্রিমকোর্টের এক আইনজীবীকে এক লাখ টাকা তার প্রতিপক্ষকে খেসারত হিসেবে দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
আগামী সাত দিনের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ করতে আইনজীবী মোহাম্মাদ আলীর প্রতি এ নির্দেশ দেয়া হয়। ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতে এ টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অ্যাডভোকেট খবির উদ্দিন ভুইয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, চেক ডিজঅনার হওয়ায় ২০১০ সালে ঢাকার মূখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেন এমদাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তি। মামলায় শাহ আলমের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকার ২টি চেক জালিয়াতির অভিযোগ দেয়া নোটিশের জবাব না পেয়ে এ মামলা করা হয়। মামলাটি গ্রহণ করে ঢাকার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। মামলাটির যুক্তি তর্ক উপস্থাপনের এক পর্যায়ে আসামি শাহ আলমের দায়ের করা দুটি আবেদন না মঞ্জুর হয়। পরে এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করেন তিনি। ওই রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। এরপর এ বিষয়ে তথ্য গোপন করে আরো একটি আবেদন করা হয়। হাইকোর্টে ওই আবেদনের শুনানির এক পর্যায়ে এমদাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খবির উদ্দিন ভুইয়া ও অ্যাডভোকেট মুসফিক উদ্দিন বখতিয়ার তথ্য গোপনের বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে শাহ আলমের আইনজীবী ড. মোহাম্মাদ আলীকে ১ লাখ টাকা খরচ হিসেবে বিচারিক আদালতে জমা দিতে নির্দেশ দেয়।
