রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের পাশাপাশি জেল আপিলের একটি অনুলিপি এখন থেকে সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিসে পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড কমিটি ও কারা কর্তৃপক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
একইসঙ্গে জেল আপিলকারীরা যাতে সুপ্রিম কোর্টে সরকারি আইনি সহায়তা সেবার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হতে পারেন সেজন্য কারা কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি ও লিফলেট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কমিটি বলেছে, জেলা পর্যায়ের আদালতে সরকারি আইনি সহায়তা সেবা পাওয়ার বিষয়টি বিচারপ্রার্থীরা অবগত। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে লিগ্যাল এইডের ব্যবস্থা রয়েছে সেটি অনেকেই জানেন না। এজন্য জেল আপিলকারীরা যাতে সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইডের বিষয়টি জেনে এর সহায়তা নিতে পারে সেজন্য এই পদক্ষেপ।
সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম। বৈঠকে কমিটির সদস্য সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন, কারা উপ-মহাপরিদর্শক এ,কে,এম ফজলুল হক, হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্তি রেজিস্ট্রার মো. সাব্বির ফয়েজ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর রুমা সুলতানা ও লিগ্যাল এইডের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট টাইটাস হিল্লোল রেমা প্রমূখ।
বৈঠকে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থায় জেলে আটক কয়েদীর মধ্যে রাষ্ট্রীয় এই সেবা সম্পর্কে সচেতনা সৃষ্টি করা, হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত মামলার ফলোআপ জানানো, কারাগার পরিদর্শনসহ সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক হয়েছে। আশা রাখি দুই পক্ষের এই যোগাযোগের ফলশ্রুতিতে যাদের জন্য এই আইনি সেবা তা সর্বাত্মকরণভাবে নিশ্চিত করা সম্ভবপর হবে।
অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সাব্বির ফয়েজ ইত্তেফাককে বলেন, ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা সাজার বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন। ওই জেল আপিলের একটি অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে প্রেরণ করে থাকে জেল কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের পাশাপাশি লিগ্যাল এইড কমিটির কার্যালয়েও একটি অনুলিপি পাঠানোর সিদ্ধান্তনেয়া হয়।
