সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এএফ হাসান আরিফ বলেছেন, রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ রয়েছে। তবে দেশে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হয়েছে কিনা তা দেখার সাংবিধানিক দায়িত্ব বিচার বিভাগের। উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানিতে অংশ নিয়ে অ্যামিকাসকিউরি হাসান আরিফ এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের ডিভিশন বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ৫ জুন পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
শুনানিতে হাসান আরিফ বলেন, এই দেশটি আমাদের সকলের। দেশটি কারো কাছ থেকে দান হিসেবে পাইনি। সশস্ত্র সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশটিকে অর্জন করে নিয়েছি।
প্রসঙ্গত এই মামলার চূড়ান্ত শুনানিতে আদালতকে আইনগত মতামত দিয়ে সহায়তা করতে সাত অ্যামিকাসকিউরি নিয়োগ দেয় হাইকোর্ট। এরা হলেন, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও অ্যাডভোকেট এ এফ হাসান আরিফ। আদালতে রিটকারী পক্ষে ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, একজন অ্যামিকাসকিউরি আংশিক বক্তব্য রেখেছেন। আগামী ৫ জুন তিনি তকার পরবর্তী বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।
বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দিক-নির্দেশনা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালের ৩০ মে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ২০১০ সালের ৬ জুন বিচারপতি মো. ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে বাছাই প্রক্রিয়ায় ‘স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা’ আনতে কেন সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা তৈরি করা হবে না, তা জানাতে রুল জারি করে।
