ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী সাজা ভোগের সময়ে কোনো রেয়াত পেয়েছিলেন কিনা এবং রেয়াত পেয়ে থাকলে কতদিনের জন্য পেয়েছিলেন তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।
কারা মহাপরিদর্শক ও চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ককে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ তথ্য আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে জারিকৃত রুল শুনানিতে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের ডিভিশন বেঞ্চ।
আদেশে বলা হয়, কারা কর্তৃপক্ষকে তিনটি বিষয়ে আদালতকে জানাতে হবে।
প্রথমত, অস্ত্র মামলায় নিজাম হাজারীর কারাদ-ের যে সাজা হয়েছিল, তাতে তিনি কোনো রেয়াত পেয়েছিলেন কি না? দ্বিতীয়ত, সাজা রেয়াত করা হয়ে থাকলে ঠিক কতোদিনের জন্য তা করা হয়েছিল? তৃতীয়ত, সাজাভোগ ও রেয়াত করা সাজার একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব দিতে হবে। সেই সঙ্গে সাজা রেয়াতের সিদ্ধান্ত-সংশ্লিষ্ট নথিপত্র এই হিসাবের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
আদালতে নিজাম হাজারীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শফিক আহমেদ। রিট আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী।
‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ’ শিরোনামে ২০১৪ সালের ১০ মে একটি জাতীয় দৈনিকে এ সংক্রানÍ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে রিট করেন ফেনী জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া। ২০১৪ সালের ৮ জুন হাইকোর্ট রুল দেয়।
