প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টা, ভাইস-চেয়ারম্যান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিভিন্ন সম্পাদক ও সদস্য পদসহ জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেতে নির্ধারিত আবেদনপত্রে আবেদন করেছেন দলটির সাত শতাধিক নেতা-কর্মী। রাজধানীর বনানীতে জাপা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের কার্যালয়ে এক হাজার টাকায় নির্ধারিত এই আবেদনপত্র বিতরণ-সংগ্রহের কাজ রবিবার শেষ হয়েছে।
আবেদনপত্র বিতরণের মূল দায়িত্বে থাকা জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায় ইত্তেফাককে জানান, ৭০০ এর বেশি নেতা-কর্মী আবেদন করেছেন। এখন এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু হবে। এরপর কাউন্সিলে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে দলীয় চেয়ারম্যান কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করবেন।
গত ১৪ মে দলের অষ্টম জাতীয় কাউন্সিলের পর কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেতে হলে নির্ধারিত ফরমে আবেদনের পাশাপাশি বকেয়া চাঁদা পরিশোধের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করেন এরশাদ। গত কয়েকদিন ধরে এই আবেদনপত্র বিতরণ করা হয়। আবেদনপত্রে পূর্বের পদ, প্রত্যাশিত পদ, নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করতে হয়েছে। পদ প্রত্যাশীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানও লিখতে হয়েছে। এছাড়া দলের অন্য কোনো অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কোনো পদ-পদবিতে রয়েছেন কি-না, সেটিও উল্লেখ করতে হয়েছে আবেদনকারীকে। আবেদনপত্রের নিচে দলীয় চেয়ারম্যান এরশাদের নাম ছিল।
জাপা মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার ইত্তেফাককে বলেন, এটা একটি গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া। যিনি কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাবেন, তার বিষয়ে লিখিত তথ্য দলের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। এর সঙ্গে দলের চাঁদা পরিশোধও হালনাগাদ হচ্ছে। এছাড়া এক নেতার এক পদ এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে এই আবেদনপত্র।
