তনু হত্যা: ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্বের ব্যাখ্যা চেয়ে রিট

আপডেট : ৩০ মে ২০১৬, ১৭:৫১
 
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহার তনু হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত আদালতের দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের ক্ষেত্রে বিলম্বের  ব্যাখ্যা তলবের আবেদন জানানো হয়েছে রিটে। এছাড়া ময়না তদন্ত রিপোর্ট দাখিল না করার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের ডিভিশন বেঞ্চে চলতি সপ্তাহে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান রিটকারী সংগঠনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না। তিনি বলেন, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবেন না। কেন ময়না তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হচ্ছে না সেই বিষয়ে ব্যাখ্যা তলবের জন্য আবেদন জানিয়েছি।
 

গত ২০ মার্চ তনুর লাশ কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে কালভার্টের ২০ থেকে ৩০ গজ পশ্চিমে ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয়। ২১ মার্চ তনুর লাশের প্রথম ময়নাতদন্ত হয়। ২৮ মার্চ আদালত নির্দেশ দেন তনুর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ মার্চ তনুর লাশ মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বাড়ির কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়। এরপর গত ৫৯ দিনেও দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে একটি মানবাধিকার সংগঠন ময়না তদন্তকারী চিকিত্সকদেরকে উকিল নোটিশ দিয়েছে। এদিকে ময়নাতদন্তকারী মেডিকেল বোর্ডেরর চিকিত্সকরা বলেছেন, ডিএনএ প্রতিবেদন ছাড়া কোনো অবস্থাতেই তাঁরা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেবেন না। এ নিয়ে চিঠি চালাচালি চলছে মেডিকেল বোর্ড ও মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির মধ্যে। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনও আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। ওই আবেদনের ভিত্তিতে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) রবিবার হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন।