অবশেষে গণমাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ব্রাজিলের ১৬ বছর বয়সী সেই কিশোরী। সমাজে ধর্ষণের জন্য অপরাধীদের দায়ী না করে ধর্ষণের শিকার নারীকে দায়ী করার সংস্কৃতির সমালোচনা করেন তিনি। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, 'এটা শুধু আমার শরীরকে নয়, আমার আত্মাকেও আহত করে। আমাকে এমন কিছুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে যা আমি নিজে করিনি।'
প্রায় ৩০ জনের একটি দল মেয়েটিকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হননি। কিছুদিন পর টুইটারে ধর্ষণের ছবি ও ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করে চক্রটি। এই পোস্টগুলো টুইটার থেকে সরিয়ে ফেলার আগে হাজার হাজার বার শেয়ার করা হয়। সেই সঙ্গে চলে ধর্ষণের জন্য মেয়েটিকেই দায়ী করে তীব্র নারীবিদ্বেষী মন্তব্য।
It's our job to make this 16 year old girl feel safe again. I'm so sorry and sad#EstuproNuncaMais pic.twitter.com/N6BvyASfjm
— Evy (@witchcraftev) May 27, 2016
এই ঘটনা ব্রাজিলজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্ক সৃষ্টি করে। অভিযোগ ওঠে, ধর্ষণের বিষটিকে প্রথমে খুব হালকাভাবে নিয়েছিল পুলিশ। ব্রাজিলের গণমাধ্যমগুলোও বিষটিকে সংবেদনশীলভাবে নেয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি তখন ধর্ষিতার মদ্যপানের অভ্যাসের দিকে ইঙ্গিত করে খবর প্রকাশ করেছিল দেশটির একটি সংবাদপত্র।
ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ৩০ সন্দেহভাজনকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে ব্রাজিল পুলিশ। রিও ডি জেনিরোর বস্তি এলাকাগুলোতে হেলিকপ্টার ও ডগ স্কোয়াড নিয়ে অপরাধীদের ধরার চেষ্টা করছে পুলিশ। সূত্র: আল জাজিরা
