ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে সাকিবের স্পিন জাদুতে সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছে আবাহনী লিমিটেড। বুধবার তামিম ইকবালের দল প্রাইম ব্যাংককে ৫ উইকেটে হারিয়েছে। এই নিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেলো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
প্রাইম ব্যাংকের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। যার শুরুটা করেন ওপেনার মেহেদী মারুফকে দিয়ে। আবাহনীর বাঁহাতি স্পিনার সাকিবের দুর্দান্ত বলটি বুঝে উঠার আগেই স্ট্যাম্প উড়ে যায় তার। এরপর সাকিব একে একে তুলে নেন সাব্বির রহমান, উন্মুক্ত চাঁদ ও নাজমুল ইসলামের উইকেটও।
৭৯ রানে প্রাইম ব্যাংকের পড়া ৪ উইকেটের তিনটিই ছিল সাকিবের। সবমিলে ১০ ওভারে ৩৫ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন তিনি।
বুধবার বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আগে ব্যাটিং করে প্রাইম ব্যাংক নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন নুরুল হাসান। তিনি ৫৪ বলে ৬ চারে তার ৪৬ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন। এছাড়া তাইবুর রহমান ৪৩ ও শুভাগত হোম ২৯ রানের ইনিংস খেলেন।
২৪১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৩ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে আবাহনী। যদিও ৫৬ রানে ওপেনিং দুই ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল (৪০) ও অভিষেক মিত্র (১২) জুটি ভেঙ্গে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলো প্রাইম ব্যাংক। তবে তৃতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও ভারতীয় ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের ৯৪ রানের জুটিতে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠে আবাহনী।
তবে ৬ রানের মধ্যে নাজমুল হোসেন শান্ত (৩২), সাকিব আল হাসান (৩) ও ইউসুফ পাঠান ফিরে গেলে কিছুটা ব্যাকফুটে পড়ে আবাহনী। আউট হওয়ার আগে ৪৭ বলে ৬০ রান করেন ইউসুফ। তার ঝড়ো ইনিংসে ছিল ২টি ছক্কা ও ৭টি চারের মার। দ্রুত তিন উইকেট হারালেও দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান মোসদ্দেক হোসেন সৈকত ও লিটন কুমার দাস।
এই ম্যাচে ৭ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামের লিটন কুমার। এদিন অবশ্য ২৫ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন তরুণ এই উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। অন্য দিকে আগের ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ৬৪ রানের দূর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচ জেতান মোসাদ্দেক। তিনি ৪৯ বলে ৪ চার ও ৪ ছয়ে নিজের ইনিংসকে সাজিয়েছেন।
১০ ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আবাহনী।
