থাইল্যান্ডে মৃত বাঘ শাবকদের কেন্দ্র করে মামলার মুখোমুখি হচ্ছে টাইগার ট্যাম্পেল। কাঞ্চনাবুরি প্রদেশের মন্দিরটি থেকে ১৩৭টি বাঘ স্থানান্তরের সময় ৪০ বাঘ শাবকের মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় থাইল্যান্ডের বন্য প্রাণী রক্ষা অধিদফতর এই মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানায় বিবিসি।
টাইগার ট্যাম্পেলের রক্ষণাবেক্ষেণ নিয়োজিতদের বিরুদ্ধ বন্যপ্রাণী পাচার, প্রানীদের ওপর অত্যাচার, অবৈধভাবে মৃতদেহ সংরক্ষণ ও বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণীর জীবন হুমকির মুখে ফেলার অভিযোগ আনা হচ্ছে। অবশ্য এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বাঘগুলোকে স্থানান্তরে বাঁধা প্রদান করে তারা।

এর আগে থাইল্যান্ডের টাইগার টেম্পল বলে খ্যাত বৌদ্ধ মন্দিরের হিমাগার থেকে ৪০টি মৃত বাঘশাবক উদ্ধার করা হয়। সোমবার, পুলিশ ও কর্মকর্তারা মন্দির থেকে জীবন্ত বাঘ সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয়। গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিক গণমাধ্যমে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায় কমপক্ষে ৪০টি বাঘশাবকের মৃতদেহ ফ্লোরে রাখা আছে। মৃত্যুর সময় শাবকগুলোর বয়স সর্বোচ্চ ২/৩ দিন হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্নেল মেউংসুখুম। এখনো জানা যায়নি, কিভাবে এই শাবকগুলো মারা গেছে।
নিজেদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এই মন্দিরের বিবৃতিতে বলা হয়, মন্দিরের বাঘগুলোর মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। ২০১০ সাল পর্যন্ত মৃত বাঘের দেহ পুড়িয়ে ফেলা হত। তবে কেন হিমাগারে মৃতশাবক রাখা হচ্ছিল সেই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। শুধু বাঘ নয় বন্য শুয়োরসহ বিভিন্ন পশুর অন্ত্র সহ বিভিন্ন অঙ্গ উদ্ধার করা হয়েছে মন্দিরের হিমাগার থেকে। বিবিসি।
