বৃহস্পতিবার তাজিকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

আপডেট : ০২ জুন ২০১৬, ১৫:৪২
এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে ওঠার প্লে-অফ ম্যাচে তাজিকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত নয়টায় দুশানবের পামির স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল। বাংলাদেশ কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ জানিয়েছেন, লক্ষ্য পূরণের আত্মবিশ্বাস আছে তার দলের।
 
তবে দুই দলের ফিফা স্বীকৃত আট ম্যাচের পরিসংখ্যানও তাজিকিস্তানের পক্ষে; ৫টিতে জয়ী তারা। বাংলাদেশের একমাত্র জয়টি ২০১০ সালে কলোম্বোর প্রীতি ম্যাচে পাওয়া। বাকি দুই ম্যাচ ড্র। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের এশিয়া অঞ্চলের বাছাইয়ে দুশানবেতে ৫-০ গোলে হারা মামুনুলরা নিজেদের মাঠে তাজিকিস্তানের সঙ্গে ১-১ ড্র করেন। এক মাস মেয়াদে কোচের দায়িত্বে আসা ক্রুইফ এই ড্র থেকে অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন দুশানবেতে গিয়েও।
 
ক্রুইফ বলেন, ‘বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের হোম ম্যাচটিতে আমি ছিলাম দলের সঙ্গে। সেখানে আমরা ১-১ ড্র করেছিলাম, যদিও ম্যাচটি বাংলাদেশের জেতা উচিৎ ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের গোল হজমে সেটা হয়নি।’
 
তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়রা প্রত্যেকেই উদ্দীপ্ত ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ম্যাচটির জন্য। কিছু দিনের জন্য আমি দূরে ছিলাম; আবার ফিরেছি। দীর্ঘদিন ধরে দলটি কঠোর পরিশ্রম করে আসছে। বাংলাদেশ ফুটবলের কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি আমরা এবং অনেকটাই এগিয়েছি। সেরাদের বেছে নিয়ে তৈরী করেছি এই ম্যাচের দল। ফলাফল যাই হোক, ছেলেদের কাছে আমরা চাওয়া ইতিবাচক ফুটবল।’
 
নিজেদের মাঠে খেলতে নামা তাজিকিস্তানকে সমীহ করতেও ভোলেননি ক্রুইফ। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, দল হিসেবে তারা কতটা শক্তিশালী। কারণ তাদের দলে বেশ ক’জন রুশ লিগে খেলা প্লেয়ার আছে। তবে, আমরাও জানি আমাদের কী করতে হবে। শেষ পর্যন্ত ছেলেরা কতটা কী করতে পারে সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। দলের অনুশীলন নিয়ে আমি তৃপ্ত।’
 
নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় দলে ফিরেছেন মামুনুল ইসলাম। অধিনায়কত্বও ফিরে পেয়েছেন এই মিডফিল্ডার। তবে পিতার অসুস্থতার কারণে দলে নেই ফরোয়ার্ড জাহিদ হোসেন; চোট ছিটকে দিয়েছে ডিফেন্ডার আতিকুর রহমান মিশু ও কেষ্ট কুমার বোসকে। নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক মাজহারুল ইসলাম হিমেলও দলে নেই একই কারণে। উঠতি রুবেল হোসেন, জুয়েল রানার সঙ্গে ওয়ালী ফয়সালের মতো অভিজ্ঞরা থাকায় মামুনুল দল নিয়ে আশাবাদী।
 
মামুনুল বলেন, ‘দল এখন ভাল অবস্থায় আছে। গত কিছুদিন কঠোর পরিশ্রমের পর এখন লড়াইয়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। সফরকারী দলের জন্য অ্যাওয়ে ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। এখানেই শেষবার আমরা হেরেছিলাম ৫-০ গোলে। তখন অবশ্য আবহাওয়া খুবই প্রতিকূল ছিল আমাদের জন্য। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, তার উপর বৃষ্টি। স্বাভাবিক খেলাটাই কঠিন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু এখন আবহাওয়া অনেকটাই সহনীয়, খুব ঠাণ্ডা নয়, নয় খুব গরমও।’