আইপিএলের ‘বাজে একাদশে’ ৮ জনই ভারতীয়

আপডেট : ০২ জুন ২০১৬, ১৯:২০
শেষ হয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নবম আসর। এখন চলছে হিসেব-নিকেষ। কে কার চেয়ে ভালো পারফর্মার। কিছুদিন আগেই সেরা একাদশ ঘোষণা করে ক্রিকইনফো যেখানে ঠাই করে নেয় বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।
 
এবার আইপিএলের ‘জঘণ্যতম’ একাদশ বাছাই করলো দেশটির জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার। এই একাদশ সাজিয়েছে ক্রিকেটারদের বাজে পারফরমেন্সের ভিত্তিতেই। যেখানে ঠাই করে নেয় ভারতের ৮ ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার দুইজন ক্রিকেটার।
 
শ্রেয়ার্স ইয়ার: গত আইপিএলে দুর্দান্ত পারফর্ম করা শ্রেয়ার্স ৬ ম্যাচে করেছেন ৩০ রান। সর্বোচ্চ ১৯।
 
নোমান ওঝা: মধ্যপ্রদেশের এই মারকুটে উইকেটরক্ষক আইপিএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ১৭ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১৩৭ রান। স্ট্রাইক রেটও ১০০’র নীচে।
 
দীপক হুদা: প্রায় সাড়ে চার কোটি ভারতীয় রুপি দিয়ে কেনা এই ডানহাতি সানরাইজার্সের অন্যতম খারাপ বিনিয়োগ। ১৭ ম্যাচে মাত্র ১৪৪ রান করেছেন তিনি।
 
জর্জ বেইলি: পুনেতে ফাফ ডু প্লেসিসের জায়গায় আসা এই অস্ট্রেলিয়ান পাঁচ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৮৪ রান। স্ট্রাইক রেট ৮৬’র নিচে।
 
ডেভিড মিলার: পাঞ্জাবের এই বাঁহাতি ছিলেন দলের অধিনায়ক। কিন্তু পারফর্ম না করতে পারার জন্য অধিনায়কত্ব চলে যায় মিলারের। ১৪ ম্যাচে ১৬ গড়ে মাত্র ১৬১ রান করেন তিনি।
 
হার্দিক পান্ডে: ভারতের হয়ে দুর্দান্ত খেলে আইপিএল শুরু করা হার্দিক মুম্বাইয়ের হয়ে ১১ ম্যাচে মোট ৪৪ রান করেছেন। নিয়েছেন মাত্র তিনটি উইকেট।
 
পবন নেগি: আইপিএল নিলামে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি ভারতীয় রুপি দিয়ে এই অলরাউন্ডারকে কিনে সবাইকে চমকে দিয়েছিল দিল্লি। আর ফ্রাঞ্চাইজিকে চমকে দিয়ে ৮ ম্যাচে ৫৭ রান আর মাত্র একটি উইকেট নিয়েছেন তিনি।
 
কর্ন শর্মা: আইপিএল চ্যাম্পিয়ন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের সবচেয়ে খারাপ পারফর্মার নিঃসন্দেহে কর্ন শর্মা। মোট ১৬.২ ওভার বল করে ১৭০ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি এই লেগস্পিনার।
 
রবিচন্দ্রন অশ্বিন: ২০১৬-এর আইপিএলে ক্যারিয়ারে অন্যতম খারাপ পারফরমেন্স করেছেন ভারতের এই অফস্পিনার। ১৪ ম্যাচে মাত্র ১০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ব্যাট হাতে করেছেন মাত্র ৪১ রান।
 
ইশান্ত শর্মা: প্রায় ৪ কোটি ভারতীয় রুপি দিয়ে ইশান্তকে কিনেছিল পুনে সুপারজায়ান্টস। টুর্নামেন্টে ওভার প্রতি প্রায় ১০ রান দিয়ে মাত্র তিন উইকেট নিয়েছেন তিনি।

কাইল অ্যাবোট: টুর্নামেন্টে পাঞ্জাবের এই বোলার দেখিয়েছেন কীভাবে বল না করা উচিৎ। পাঁচ ম্যাচে প্রায় ১২ গড়ে মাত্র দু’উইকেট নিয়েছেন তিনি।