ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৬, ০০:৪৩
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ঘোষগ্রাম-আন্ধার কোটা নামক স্থানে ছোট যমুনা নদীর উপর দিয়ে চলাচলের একমাত্র উপায় একটি বাঁশের সাঁকো। স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত এই সাঁকো দিয়েই চলাচল করে রাণীনগর-আত্রাই উপজেলার সাধারণ মানুষ। বর্ষাকালে নৌকায় নদী পারাপার সম্ভব হলেও শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানি কমে গেলে এই সাঁকোই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয় কৃষকরা তাদের উত্পাদিত ধানসহ অন্য কৃষি পণ্যসামগ্রী সহজে বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
 
আত্রাই উপজেলার বিলবেষ্টিত কালিকাপুর ইউপির আটগ্রাম, হরপুর, তারানগর, বাউল­াপাড়া, ঝিয়াড়িগ্রাম, শলিয়া গ্রাম এবং রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর, মালঞ্চি, ঘোষগ্রাম, নান্দাইবাড়ি, বেতগাড়ী গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন না ঘটায় স্থানীয় অধিবাসীদের চলাচলে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।
 
আত্রাই উপজেলার আন্ধার কোটা গ্রামের মহিদুল ইসলাম (৪৫) জানান, এখানে ব্রিজ নির্মিত হলে রাণীনগর-আত্রাই উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কমিউনিটি সেন্টার, আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে যোগাযোগ সহজ হবে। বিশেষ করে ইরি-বোরো মৌসুমে ধান কাটাসহ আনা-নেওয়ার খুব অসুবিধা হয়।
 
আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন জানান, শলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ হইতে আন্ধার কোটা পর্যন্ত পাকা সড়ক এবং ছোট যমুনা নদীর উপরে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য যাচাই-বাচাই ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।