মাত্রাতিরিক্ত ফেন্টানিলে মারা গেছেন প্রিন্স

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৬, ১৯:৩১
 
যুক্তরাষ্ট্রের পপ সুপারস্টার, গীতিকার ও সঙ্গীতজ্ঞ প্রিন্স দুর্ঘটনাবশত ব্যথানাশক ওষুধ ফেন্টানিলের মাত্রাতিরিক্ত সেবনের কারণে মারা গেছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। মিনেসোটার মিডওয়েস্ট মেডিক্যাল এক্সামিনারের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
 
নিজের বাড়ির লিফটে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল প্রিন্সকে। তার মৃত্যু নিয়ে নানা ধরনের জল্পনা-কল্পনা চলছিল। প্রায় একমাস পর তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এই প্রতিবেদনে জানানো হল।
 
৫৭ বছর বয়সী প্রিন্সকে সপ্তাহে দুইবার নিয়মিতভাবে দেখে আসা চিকিত্সককে গোয়েন্দারা ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। মে মাসে কর্মকর্তারা মার্কিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল, প্রেসক্রিপশনে দেওয়া ব্যথানাশকের কারণেই প্রিন্সের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
 
যে ব্যথানাশক ওষুধের ওভারডোজের কারণে প্রিন্সের মৃত্যু হয়েছে তা প্রেসক্রিপশন ছাড়া কেনা যায় না। প্রিন্সের কাছে এ ওষুধ ছিল বলে মে মাসে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
 
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চিকিত্সক মাইকেল শুলেনবার্গ ২০ এপ্রিল প্রিন্সকে ফেন্টানিল গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আর একদিন পর ২১ এপ্রিল প্রিন্স মারা যান।
 
ময়না তদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রিন্স নিজের উদ্যোগেই ফেন্টানিল গ্রহণ করেছিলেন। এটি হেরোইনের চেয়ে অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী।
 
চলতি বছরের ২১ এপ্রিল ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার পেইসলি পার্কে নিজের স্টুডিও কমপ্লেক্সের একটি লিফটে প্রিন্সকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
 
প্রিন্সের নাম ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে গেল শতকের আশির দশকে। তার অ্যালবাম ১৯৯৯, পারপল রেইন ও দ্য টাইম তাকে এনে দেয় বিশ্বজোড়া খ্যাতি। সূত্র: বিবিসি