সুইফট মেসেজ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির দিন দুই বার নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভের কাছে অনুরোধ পাঠিয়েছিল হ্যাকাররা। তবে প্রথম দফার ৩৫টি মেসেজের সবগুলোতেই তথ্যের ঘাটতি ও ফরম্যাট ভুল থাকায় সন্দেহ হয় নিউ ইয়র্ক ফেডের। তাই তারা অর্থ স্থানান্তর করা থেকে বিরত ছিলেন তখন।
এর কয়েক ঘণ্টা পরই অর্থ স্থানান্তরের জন্য ফের ৩৫টি অনুরোধ পাঠানো হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো সুইফটে যে ফরম্যাট ব্যবহার করে পরেরবার সেই ফরম্যাটেই অনুরোধ পাঠানো হয়। এই দফায় পাঁচটি অনুরোধ গ্রহণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করে নিউ ইয়র্ক ফেড। তবে হ্যাকাররা বানান ভুল করার কারণে ২০ মিলিয়ন ডলার স্থানান্তর করেও ফিরিয়ে নেয় তারা।
নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট দুজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রিজার্ভ চুরির এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক দায় অস্বীকার করে এলেও একদিন আগে সন্দেহের পরদিনই অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা। তারা বলছে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অফ নিউ ইয়র্কের উচিৎ ছিল প্রথমবারের মতো দ্বিতীয়বারও এই বার্তা প্রত্যাখ্যান করা। কারণ ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল তখন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত কোন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের অনুরোধ করে না।
