পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এমডিজি) নির্ধারিত ৮টি লক্ষ্যের সবকটি কেবল অর্জনই করেনি বরং লক্ষ্যসমূহ অর্জনের বিরল সফলতা দেখিয়ে ৮টি পুরস্কার অর্জন করেছে। অনুরূপ টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) নির্ধারিত ১৭টি লক্ষ্যের সবকটি অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, যদি বাংলাদেশের শিক্ষা- স্বাস্থ্যসহ বিভিন্নখাতে অগ্রগতির চলমান ধারা অব্যাহত থাকে তবে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ হবে। মন্ত্রী রবিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইউএনডিপি আয়োজিত বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাণিজ্যের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সদস্য ড.শামসুল আলম, ইউএনডিপি কান্ট্রি ডিরেক্টর পলিন টামেসিস, ইউএনডিপির প্রাইভেট সেক্টর উপদেষ্টা শাবা সোবানি, বেসরকারি সংস্থা বিল্ড এর চেয়ারপার্সন আসিফ ইব্রাহিম এবং নেদারল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর ইনক্লিউসিভ বিজনেস ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন বক্তৃতা করেন ।
আমাদের উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি হচ্ছে বেসরকারি খাত। জলবায়ু পরিবর্তনজনীত বিরূপ প্রভাব উন্নয়নের অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করে পরিকল্পণামন্ত্রী বলেন, বিশ্বের শিল্পোন্নত ৫ টি দেশ শতকরা ৫৫ ভাগ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কার্বন নির্গমন করছে। অথচ কার্বন নির্গমনকারি দেশ না হয়েও আমাদেরকে পরিবেশগত বিপর্যয়ের বিরাট ঝুঁকি সামলাতে হবে।
এ সকল ঝুঁকি সত্যেও বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করেন তিনি।
