ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট ও বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্তি কর্মকর্তা একেএম এমদাদুল হক আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ।
রবিবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রুহুল আমীন এ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামী ২৭ জুন পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।
একেএম এমদাদুল হক ঢাকা সিএমএম আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত থাকাবস্থায় আসামি আনোয়ার আলম ওরফে ভাগ্নে শহিদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। ওই সম্পর্কে তিনি আদালতে সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষ্যগ্রহণকালে জেলহাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয় জেএমবির সূরা সদস্য আনোয়ার আলম ওরফে ভাগ্নে শহিদকে। মামলার আসামি জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সূরা সদস্য সালাহউদ্দিন ওরফে সালেহীন, রাকিবুল হাসান ওরফে হাফিজ মাহামুদ ও নুর মোহাম্মদ ওরফে সাবু পলাতক আছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রিজনভ্যান থেকে যে ৩ আসামি ছিনিয়ে নেয় জঙ্গিরা ওই ৩ জনের মধ্যে ২ জন সালাহউদ্দিন ওরফে সালেহীন এবং রাকিবুল হাসান ওরফে হাফিজ মাহমুদ। এদের মধ্যে হাফিজ ওইদিন রাতে ধরা পরে এবং পরে ক্রসফায়ারে নিহত হয়। গত ২৪ এপ্রিল হাফিজের মৃত্যুর প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়।
২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলা একাডেমির উল্টোদিকে ফুটপাতে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে মারাত্মক আহত হন হুমায়ুন আজাদ। এ হামলার পর তিনি ২২ দিন সিএমএইচ হাসপাতালে এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসারত ছিলেন। ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
