জিএমপি নীতিমালা অনুসরণ না করে ২০টি ফার্মাসিটিউক্যাল কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধ না রাখায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, এসব কোম্পানি শুধু উৎপাদন বন্ধই নয় এদের গলা চেপে ধরতে হবে।
মঙ্গলবার এক রিট মামলা শুনানিকালে বিচারপতি সৈয়দ মোহম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি শাহিদুল হকের এই মন্তব্য করেন।
হাইকোর্ট বলেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদের স্থায়ী কমিটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে মানসম্পন্নহীন ওষুধ উৎপাদনের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল। ঐ নির্দেশ মোতাবেক কমিটি ২০টি কোম্পানি চিহ্নিত করে। কিন্তু সরকার আজও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
শুনানিতে রিট আবেদনকারীর আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, সেহরীর সময় আদারতের অনেককেই ওষুধ খেতে হয়। এসব ওষুধ আদৌ কাজ করছে কিনা আমরা জানি না। কারণ এগুলো সবই মানহীন ওষুধ।
আদালত বলেন, এই ২০টি কোম্পানি কি এখনো ওষুধ উৎপাদন করে? তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি? মনজিল মোরশেদ বলেন, না এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্বাস্থ্য অধিদফতরসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থা।
হাইকোর্ট বলে, মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় এসব কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ পর্যায়ের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শশাঙ্ক শেখর সরকার কিছু বলতে চাইলে আদালত তাকে উদ্দেশ্য করে বলে, এই মামলায় বিরোধিতার কিছু নেই। এসব কোম্পানির গলা চেপে ধরতে হবে।
