আমে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার তাগিদ

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৬, ১৭:৫১
 
বাঙালির পছন্দের একটি ফল আম। দেশে আমের চাহিদাও অনেক। তবে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহারের ফলে অনেকের মনে আম নিয়ে ভয় ঢুকে গেছে। এ প্রবণতা বন্ধ করতে আমে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়া প্রয়োজন।
 
সোমবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইউএসএআইডি এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন্স প্রজেক্টের (ডিএআই) যৌথভাবে আয়োজিত “আম বাজারজাতকরণে সহায়ক নীতি পরিবেশ” শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ডিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি আতিক-ই-রাব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মহাপরিচালক হামিদুর রহমান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
 
মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, আম প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য সরকার সাতক্ষীরার কলরোয়া অঞ্চলে “হট ওয়াটার মেশিন” স্থাপন করেছে। সরকার আম বাজারজাতকরণের জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা করছে এবং এ বাবদ ৬০০-৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হবে। বাংলাদশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এ রহিম অনুষ্ঠানে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।
 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফলমূলে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও নিরুত্সাহিত করা হয়েছে। আর বাংলাদেশে সাধারণত আমে ফরমালিন ব্যবহার করা হয় না। তিনি জানান, প্রকৃতিগতভাবে প্রতিটি আমে ১ থেকে ৬০ পিপিএম ফরমালিন থাকে। তিনি আম উত্পাদন ও ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার না করার জন্য আহবান জানান। ডিসিসিআই পরিচালক সেলিম আকতার খান বলেন, বাংলাদেশে উত্পাদিত আমের গুণগত মান অত্যন্ত ভাল এবং আমাদের উচিত এর বাজারজাতকরণের প্রতি আরো বেশি মনোযোগী হওয়া। তিনি সকল ধরনের ফলে ফরমালিন সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক কেমিক্যাল জাতীয় পদার্থ ব্যবহারকারী বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের উপর জোরারোপ করেন।