পাকিস্তান ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা এখনো মেনে নিতে পারেনি। সমপ্রতি দেশে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই ও ইসরাইলের মোসাদ জড়িত। তারা দেশের বিরুদ্ধে নানা যড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, এর সমুচিত জবাব দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম।
গতকাল গুলশান-২ নম্বর চত্বরে পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধা প্রদান এবং সামপ্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলো একই সূত্রে গাঁথা। পাকিস্তান এবং ইসরাইল একে অপরের সঙ্গে মিলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে যড়যন্ত্র করছে। নিরীহ মানুষজন হত্যা করছে। তার প্রতিবাদ জানাতেই পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি।
মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচি পালনে সকাল থেকে সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা গুলশান-২ নম্বর চত্বরে জড়ো হয়। একপর্যায়ে তারা পাকিস্তান দূতাবাসের দিকে যেতে চাইলে বসতি টাওয়ারের সামনে পুলিশ বাধা দেয়। সেখানেই তারা সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেন। এসময় গুলশান-২ নম্বর থেকে পাকিস্তান দূতাবাস পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমত উল্লাহ এমপি বলেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য পাকিস্তান ও ইসরাইল ষড়যন্ত্র করছে। নিজামী হত্যাকাণ্ডের পর তারা বিবৃতি দিয়েছে, যুদ্ধাপরাধী বিচারে নাক গলাচ্ছে, এখন দেশের এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনেও তারা ইন্ধন যোগাচ্ছে।
পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মোস্তাক আহমেদ খান বলেন, সকালে কয়েকটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা গুলশান-২ নম্বর চত্বরে জড়ো হয়। তারা ঘেরাওয়ের উদ্দেশে পাকিস্তান দূতাবাসের দিকে যেতে চাইলে ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দেয়া হয়। এটা একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল।
