প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটির অবতরণে ১৫ মিনিট বিলম্ব হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের এক কর্মীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সৌদি বাদশাহ’র আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সফর শেষে মঙ্গলবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৫ মিনিট দেরিতে অবতরণে করে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বুধবার রাতে জানান, এই ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময়ই এয়ারট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের অপারেটর কামরুলকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্লোজ করা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এই ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি করেছে জানিয়ে মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, উড়োজাহাজটির অপারেশনাল কোনো সমস্যা ছিল কি না, তা তদন্তে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক জাকির হোসেনকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। এছাড়া বিমানবন্দরের রানওয়েতে কোনো সমস্যা ছিল কি না বা সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এমন কোনো কিছুর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা তদন্ত করতে বেবিচকের ফ্লাইট সেইফটি বিভাগের পরিচালক জিয়াউল কবিরকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। দুই তদন্ত কমিটিতেই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনকারী সংস্থা এসএসএফের একজন করে ঊর্ধতন কর্মকর্তাকে সংযুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি অবতরণ করতে ১৫ থেকে ১৭ মিনিট বিলম্ব হয়। বিলম্ব কেন হয়েছে, সেটি তদন্ত করে আজ বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। বেবিচক ছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সন ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানান বিমানবন্দর পরিচালক।
