নাটোরে একটি অপহরণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিম্ন আদালতের দেয়া এক আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল রেখেছে আদালত। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আরেক আসামি মো. শহিদুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই রায় দেয়।
নাটোরের দক্ষিণ বড়গাছা এলাকার বাসিন্দা জুমাউল রাব্বানী তালুকদার ওরফে স্বাধীনকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় তার চাচা সদর থানায় ২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আসামি মীর মাহবুবুর রহমান রনিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বাধীনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে আসামিরা স্বাধীনকে হত্যা করে মর্মে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
২০১০ সালের ২৬ জুলাই নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এই হত্যা মামলায় শৈলেশ কুমার কালুকে মৃত্যুদণ্ড এবং রনিক ও আসামি শহীদুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করেন। তবে বিচারের শুরু থেকেই কালু পলাতক রয়েছে। পরে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে।
আসামিদের পক্ষে ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও অ্যাডভোকেট হেলালউদ্দিন মোল্লা এবং রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শহীদুল ইসলাম খান শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট উপরিউক্ত রায় দেয়।
